Karnataka: কর্ণাটকে হুলুস্থূল! ভোটগণনার আগে স্ট্রং রুমের চাবি উধাও, তালা ভেঙে ইভিএম উদ্ধার
Karnataka: গত বছরের ডিসেম্বরে মৃত্যু হয় বিধায়ক শামনুর শিবশঙ্করপ্পার। ফলে বিধানসভা আসনটি খালি থাকায় এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাগলকোট উপনির্বাচনের ভোটও গণনা করা হচ্ছে।
Karnataka: সোমবার ভোটগণনার প্রাক্কালে উত্তপ্ত কর্ণাটক। রাজ্যের উপনির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গুরুতর ত্রুটির অভিযোগ উঠেছে। এদিন সকালে দাভাঙ্গেরে সাউথ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ভোটগণনা শুরুর আগেই একটি বড় ধরনের গরমিল ধরা পড়ে। সময় মতো ডিআরআর স্কুলে ভোটগণনা কেন্দ্রে, নির্বাচন কর্মকর্তা ও প্রার্থীদের এজেন্টদের উপস্থিতিতে হলেও স্ট্রং রুম খোলা যায় না। কারণ, হঠাৎ করেই স্ট্রং রুমের চাবি উধাও হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও চাবির হদিশ না মিললে ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর চাবি না পেয়ে হাতুড়ি ও ছেনি ব্যবহার করে স্ট্রং রুমের তালা ভাঙতে বাধ্য হন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। এই ঘটনায় ভোটগণনা কেন্দ্রে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্ট্রং রুম খোলার বিষয়টি তদারকি করেন রিটার্নিং অফিসার সন্তোষ কুমার এবং জেলাশাসক জি. এম. গঙ্গাধর স্বামী-সহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা। এই ঘটনার কারণে পোস্টাল ব্যালট গণনা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৩০ মিনিটের বেশি দেরিতে শুরু হয়। সোমবার সকাল ৮টায় পোস্টাল ব্যালট গণনা এবং সকাল সাড়ে ৮টায় ইভিএম-এ গণনা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই ত্রুটির কারণে ভোটগণনা বিলম্বিত হয়। চাবি খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে অবহেলার ঘটনায় ডেপুটি কমিশনার জি.এম. গঙ্গাধরস্বামী তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং এই ঘটনার জন্য সহকারী কর্মকর্তাদের ওপর ক্ষোভ উগরে দেন।
গত বছরের ডিসেম্বরে মৃত্যু হয় বিধায়ক শামনুর শিবশঙ্করপ্পার। ফলে বিধানসভা আসনটি খালি থাকায় এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাগলকোট উপনির্বাচনের ভোটও গণনা করা হচ্ছে। যদিও এই উপনির্বাচনের ফলাফলের রাজ্য রাজনীতিতে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা কম, তবুও এই লড়াই শাসক দল কংগ্রেস এবং বিরোধী দল বিজেপি উভয়ের জন্যই সম্মানের বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। কংগ্রেস যেখানে দুটি আসনই ধরে রাখার চেষ্টা করছে, সেখানে বিজেপির লক্ষ্য হলো আসন দুটি দখল করে শাসক দলকে একটি ধাক্কা দেওয়া, যে দলটি বর্তমানে নেতৃত্ব নিয়ে এক 'অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্বে' ভুগছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বাগলকোটে ভোটের হার ছিল ৬৮.৭৪ শতাংশ এবং দাভাঙ্গেরে দক্ষিণে ছিল ৬৮.৪৩ শতাংশ। ২০২৮ সালের কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি উপনির্বাচনে জয়ী হতে এবং নিজেদের কর্মীদের উজ্জীবিত করতে চাইছে। এদিকে, কংগ্রেসের জন্য দুটি আসনই ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পরাজয়কে সিদ্দারামাইয়া নেতৃত্বাধীন সরকারের কর্মকাণ্ডের ওপর একটি নেতিবাচক রায় হিসেবে দেখা হতে পারে।
E-Paper

