Success Story: প্রেগনেন্সির সময় UPSC-র প্রস্তুতি, প্রথম অ্যাটেম্পটেই IPS অফিসার হলেন শাহনাজ
Success Story: যখন ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেসের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, সেইসময় অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তবে হাল ছাড়েননি। আর ঠিক সেই লড়াই থেকেই আইপিএস অফিসার হলেন শাহনাজ ইলিয়াস। আর প্রথম অ্যাটেম্পটেই ক্র্যাক করেন সিভিল সার্ভিসেস।
Success Story: প্রেগনেন্সির সময় ইউপিএসসি (ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন) সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন। পরীক্ষার মধ্যেই কন্যাসন্তান হয়। আর সেই শাহনাজ ইলিয়াস প্রথম অ্যাটেম্পটেই বাজিমাত করলেন ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায়। হলেন আইপিএস অফিসার।

IT চাকরির ছেড়ে পুরোদমে UPSC-র প্রস্তুতি
শাহনাজ ছোটোবেলা থেকেই পড়াশোনায় অত্যমেধাবী ছিলেন। স্কুল ও কলেজের গণ্ডি পার করার পর একটি নামজাদা আইটি সংস্থায় চাকরিতে যোগ দেন। প্রায় পাঁচ বছর ধরে অত্যন্ত সুপ্রতিষ্ঠিত ও উচ্চবেতনের চাকরি সামলানোর পরও তাঁর মন বলছিল দেশের ও সমাজের জন্য কিছু করার। অবশেষে কর্পোরেট কেরিয়ার ছেড়ে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে পুরোপুরি মনোনিবেশ করার সিদ্ধান্ত নেন।
UPSC প্রস্তুতি দেখতে রাজ্যের PSC পরীক্ষা দেন
ইউপিএসসির মূল প্রস্তুতি শুরুর প্রাথমিক দিনগুলিতে শাহনাজ নিজের মেধা ও দক্ষতা যাচাই করতে তামিলনাড়ু পাবলিক সার্ভিস কমিশন (TNPSC) পরীক্ষা দেন। মেরেকেটে দু'মাসের প্রস্তুতিতে TNPSC-র প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সহজেই উত্তীর্ণ হন। যা তাঁর আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ইউপিএসসির বড় মঞ্চে লড়াই করার মানসিক বল জোগায়।
চ্যালেঞ্জ সামলেই UPSC-র পরীক্ষা
আর ইউপিএসসির প্রস্তুতির ঠিক মধ্যেই শাহনাজ অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। একদিকে হবু সন্তানের শারীরিক দায়িত্ব ও মাতৃত্বকালীন নানাবিধ ক্লান্তি, অন্যদিকে প্রতিদিন আট থেকে ১০ ঘণ্টার পড়াশোনা - সবকিছু সামলাতে থাকেন শাহনাজ। সেভাবেই ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা দেন।
পরীক্ষার পরবর্তী ধাপগুলিতে পৌঁছানোর আগেই শাহনাজ ফুটফুটে কন্যাসন্তানের মা হন। সদ্যোজাত শিশুর যত্ন এবং ইউপিএসসি মেইনস ও ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি- দুটো একসঙ্গে সামলানো অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু এই কঠিন সময়ে মা-বাবা তাঁর পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়ান। তাঁরা শিশুর দেখভালের পুরো দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন, যাতে শাহনাজ কোনও চিন্তা ছাড়া সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারেন।
UPSC সিভিল সার্ভিসেসে বাজিমাত শাহনাজের
শাহনাজের এই দিন-রাতের নিরলস পরিশ্রম অবশেষে সার্থক হয়। ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায় প্রথম অ্যাটেম্পটেই সর্বভারতীয় স্তরে ২১৭ তম স্থান অর্জন করেন। তাঁর অসাধারণ ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস (IPS) ক্যাডার পান শাহনাজ।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


