Success Story: বেঁটে হওয়ায় হাসাহাসি করা হত, সেই মেয়েই PSC পরীক্ষায় বাজিমাত করে হলেন অফিসার
Success Story: বেঁটে হওয়ায় হাসাহাসি করা হত, খোঁচা দেওয়া হত, করা হত উপহাস। আর সেই মেয়েই এবার পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) পরীক্ষায় বাজিমাত করে হলেন সরকারি অফিসার। সোশ্যাল সিকিউরিটি সেলে অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর পদে কর্মরত আছেন।
Success Story: উচ্চতা কম বলে সমাজের কটাক্ষ উড়ে আসত। আশপাশের লোকজন হোক বা সহপাঠী-- উচ্চতা নিয়ে কটাক্ষ করা হত। সেই মেয়েই রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) পরীক্ষায় বাজিমাত করলেন। বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) পরীক্ষায় ৩৩০ তম স্থান অধিকার করেছেন শ্বেতা কৌর। যাঁর উচ্চতা মেরেকেটে চার ফুট।

'উচ্চতা আমার যোগ্যতার মাপকাঠি হতে পারে', বার্তা শ্বেতার
উচ্চতা কম হওয়ায় ছোটোবেলা থেকেই প্রতিবেশীদের একাংশ ও সহপাঠীদের উপহাস এবং কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল। অনেকেই বলতেন, এরকম উচ্চতা নিয়ে জীবনে বড় কিছু করতে পারবেন না। কিন্তু এই কঠিন পরিস্থিতিতে তাঁর ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মা-বাবা। শ্বেতা বলেন, ‘সমাজ আমায় যতবার খাটো করার চেষ্টা করেছে, আমার বাবা-মা ততবার আমার পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেন - উচ্চতা কোনও যোগ্যতা বা অযোগ্যের মানদণ্ড হতে পারে না। তোমার বুদ্ধি ও পরিশ্রমই তোমার আসল পরিচয়।’
UPSC সিভিল সার্ভিসেসের প্রস্তুতি নেওয়ার ইচ্ছা ছিল
শ্বেতা ছোটোবেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন। বিহারে প্রাথমিক স্তরের পড়াশোনার পরে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে করেন বিএড। তবে পরিবারের আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো ছিল না। সেই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে গিয়ে কোনও কোচিং সেন্টারে ভরতি হয়ে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারেননি। বরং সেলফ-স্টাডি করে পাবলিস সার্ভিস কমিশন পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন।
কীভাবে PSC পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন?
বিপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির কৌশল সম্পর্কে শ্বেতা বলেন, 'আমি কত ঘণ্টা পড়াশোনা করছি, তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতাম আমি ঠিক কী শিখছি এবং কতটা স্পষ্ট ধারণা তৈরি হচ্ছে, সেটার উপরে। দিনে গড়ে আট থেকে ১০ ঘণ্টা পড়াশোনা করতাম। প্রিলিমসের জন্য তথ্যাভিত্তিক স্টাইলে পড়তাম। আর মেইনসের জন্য বিশ্লেষণাত্মক ‘ চিন্তাভাবনাকে কাজে লাগিয়েছি।’
আর সেই কৌশল কাজে আসে। বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় ৩৩০ তম স্থান অধিকার করেন শ্বেতা। আপাতত বিহার সরকারের সমাজ কল্যাণ দফতরের আওতায় সোশ্যাল সিকিউরিটি সেলে অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর পদে কর্মরত আছেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


