Govt Jobs Success Story: UPSC সিভিল সার্ভিসেসে ২ বার ধাক্কা, রাজ্য PSC দিয়ে SDM হলেন সুধা, কীভাবে সাফল্য?
Govt Jobs Success Story: ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেসে পরপর দু'বার ব্যর্থতা। হার না মেনে পাবলিক সার্ভিস কমিশন ক্র্যাক করেন। দিন-রাত এক করে এসডিএম হলেন তরুণী। তিনি বলেছেন, ‘ব্যর্থতা কোনও স্থায়ী সত্য নয়, এটি কেবল সাফল্যের পথ তৈরি করার একটি ধাপ মাত্র।’
Govt Jobs Success Story: ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা দিয়েছিলেন। দুটি অ্যাটেম্পটে সাফল্য পাননি। তারপর বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (বিপিএসসি) পরীক্ষা দেন। সেখানে বাজিমাত করে এসডিএম (সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট)। যিনি দেশের প্রার্থীদের জন্য তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, ‘ব্যর্থতা কোনও স্থায়ী সত্য নয়, এটি কেবল সাফল্যের পথ তৈরি করার একটি ধাপ মাত্র।’

২০১৮ সালে স্নাতক হন সুধা
সুধার জন্ম বিহারের রোহতাস জেলার দিনারা ব্লকের ধরহরা গ্রামে। তাঁর বাবা জগনারায়ণ চাকরিসূত্রে রাঁচিতে থাকতেন, ফলে সুধার প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি হয় রাঁচির এক সরকারি বিদ্যালয়ে। ছোটোবেলা থেকেই পড়াশোনায় মেধাবী সুধা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের পরে ২০১৮ সালে স্নাতক হন। তারপর ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেসের প্রস্তুতি শুরু করেন।
আরও পড়ুন: Success Story: মা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, ছেলে প্রথমবারেই PSC পরীক্ষায় বাজিমাত করে হলেন মহকুমা শাসক
দাদার অদম্য বিশ্বাস এবং চার বছরের দীর্ঘ সংগ্রাম
সুধার এই দীর্ঘ ও কঠিন লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় শক্তিকেন্দ্র ছিলেন তাঁর বড় ভাই। নিজেই জানিয়েছেন, সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় আসার মূল অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন দাদার থেকেই। সুধাকে প্রশাসনিক অফিসার পদে দেখার স্বপ্ন প্রথম দেখেছিলেন দাদাই। প্রস্তুতির কঠিন সময় দাদা পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সুধা যাতে কোনও পরিস্থিতিতেই মনোবল না হারান, সেজন্য দাদা অবিরাম তাকে সাহস জুগিয়েছেন। সুধার কথায়, ‘দাদার বিশ্বাস ও সমর্থনই আমায় প্রতিটি কঠিন পরিস্থিতিতে লড়াই করার শক্তি জুগিয়েছে।’
তবে বিপিএসসির পথও খুব একটা সুগম ছিল না। এখানেও প্রথম দুই অ্যাটেম্পটে চূড়ান্ত সাফল্য আসেনি। দ্বিতীয় চেষ্টায় তিনি ইন্টারভিউ রাউন্ড পর্যন্ত পৌঁছেও সামান্য নম্বরের জন্য বাদ পড়ে যান। কিন্তু সুধা হাল ছাড়েননি। অবশেষে তৃতীয় অ্যাটেম্পটে আসে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।
আরও পড়ুন: Success Story: ষষ্ঠ শ্রেণিতে ফেল, স্কুল ছাড়েন, সেই ছেলেই আজ ৪,০০০ কোটি টাকার কোম্পানির মালিক
ফলাফলের দিন ও চোখের জলের আনন্দ
বিপিএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিন সুধা বেশ নার্ভাস ছিলেন। কোনওভাবে তালিকায় নাম থাকলেই খুশি হবেন। তবে রেজাল্ট স্ক্রিনে ফুটে উঠতেই নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না সুধা। ১৬৯ তম স্থান অধিকার করেন। এসডিএম (সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট) হন। আর সেই ফলাফল দেখার পরে সুধার চোখে নেমে এসেছিল আনন্দের অশ্রু।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


