Success Story: মা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, ছেলে প্রথমবারেই PSC পরীক্ষায় বাজিমাত করে হলেন মহকুমা শাসক
Success Story: মা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। ছেলে প্রথমবারেই পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) পরীক্ষায় বাজিমাত করে হলেন মহকুমা শাসক। ১৬৭ তম স্থান অর্জন করে সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট পদে সুযোগ পান তিনি। তাঁর কাহিনী এক রূপকথা।
Success Story: মা কাজ করতেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হিসেবে। আর সেই ছেলে প্রথমবার পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) দিয়েই মহকুমা শাসক (সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট) হয়ে গিয়েছেন। বিহারের এক প্রত্যন্ত গ্রামের তরুণ কন্টেশ কুমার। প্রথমবার বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশন (BPSC) পরীক্ষা দিয়েই বড় আমলার পদ ছিনিয়ে নিয়েছেন। যা লাখ-লাখ চাকরিপ্রার্থীর কাছে অনুপ্রেরণার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে শুধু তাই নয়, ১৬৭ তম স্থান অর্জন করে সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট পদে সুযোগ পাওয়ার পাশাপাশি একই পরীক্ষায় সমগ্র বিহার রাজ্যে পঞ্চম স্থান অধিকার করে শিশু উন্নয়ন প্রকল্প আধিকারিক হিসেবেও নিজের জায়গা নিশ্চিত করেছেন। এই দ্বিমুখী সাফল্য তাঁর অসাধারণ মেধাবোধ ও নিখুঁত প্রস্তুতির উদাহরণ। কোনও কোচিং সেন্টার ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজের তৈরি কৌশল ও সেলফ-স্টাডির ওপর ভরসা রেখেছিলেন বিহারের ছেলে।

ছোটো থেকে মেধাবী ছিলেন
তাঁর এই রূপকথার মতো সাফল্যের পথচলা অবশ্য একদিনে তৈরি হয়নি। প্রথম থেকেই ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। অবিচল ছিলেন নিজের লক্ষ্যের প্রতি। ২০১৭ সালে সিমুলতলা আবাসিক বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক (দশম) পাশ করেন। সেইসময় বিহারে অষ্টম স্থান অর্জন করে প্রথমবার সংবাদের শিরোনামে এসেছিলেন। এরপর ডুমরির বিকাশ বিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক বা দ্বাদশ শ্রেণির পড়াশোনা সম্পন্ন করেন।
কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরি পেয়েছিলেন
পরবর্তীতে দেশের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান তামিলনাড়ুর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এনআইটি) থেকে ২০২৩ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে বি.টেক ডিগ্রি লাভ করেন। ইঞ্জিনিয়ারিং পাশের পরপরই কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরি পান। তারইমধ্যে বিহারের পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় বসেন। বাজিমাত করেন সেই পরীক্ষায়।
IAS হতে চান, UPSC সিভিল সার্ভিসেসের প্রস্তুতি
তবে এখানেই থেমে থাকতে চান না এই তরুণ তুর্কি। বিপিএসসি ক্র্যাক করে SDM হয়ে প্রথম বড় পদক্ষেপ ফেললেও তাঁর আসল স্বপ্ন হল ইউপিএসসি (UPSC) সিভিল সার্ভিসেস পাশ করে আইএএস (IAS) অফিসার হওয়া। পরিবার ও দেশবাসীর ভালোবাসাকে পাথেয় করে আগামিদিনে সেই স্বপ্নের লক্ষ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


