CM Vijay-Trisha-Udhayanidhi Stalin: মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের 'বান্ধবী' তৃষাকে নিয়ে ‘ডবল মিনিং’ মন্তব্য, ধৃত বিরোধী দলনেতা
CM Vijay-Trisha-Udhayanidhi Stalin: তামিলনাড়ু বিধানসভার বিরোধী দলনেতা উদয়নিধি স্টালিনকে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের ‘বান্ধবী’ তৃষা কৃষ্ণনের উদ্দেশ্য ‘ডবল মিনিং’ মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে।
CM Vijay-Trisha-Udhayanidhi Stalin: অভিনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের ‘বান্ধবী’ তৃষা কৃষ্ণনকে উদ্দেশ্য করে ‘ডবল মিনিং’ মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। তা নিয়ে থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ। তারইমধ্যে তামিলনাড়ু বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিনের ছেলে উদয়নিধি স্টালিনকে গ্রেফতার করা হল। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে চেন্নাইয়ের বাসভবন থেকে প্রাথমিভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে পুলিশ নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে সরকারিভাবে গ্রেফতার করে তাঞ্জাভুর ইস্ট থানার পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, তামিলনাড়ুর মহিলাদের হেনস্থা বিরোধী আইন এবং তথ্যপ্রযুক্ত আইনের একাধিক ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।
কৃষকদের প্রতিবাদ সভা থেকে তৃষাকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য
অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণনকে উদ্দেশ্য করে ‘ডবল মিনিং’ মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে উদয়নিধি স্টালিনের বিরুদ্ধে। (ছবি সৌজন্যে, ইনস্টাগ্রাম trishakrishnan এবং এএনআই)
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
আর সেই পুরো ঘটনা ঘটেছে সোমবার তাঞ্জাভুরে উদয়নিধিদের দল ডিএমকের কৃষক বিক্ষোভের সভায়। কাবেরী বিতর্ক নিয়ে কৃষকদের প্রতিবাদ সভার সময় জমায়েত থেকে 'তৃষা, তৃষা' স্লোগান ওঠে। আর তারপরই বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে তৃষাকে উদ্দেশ্য করে 'ডবল মিনিং' মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে।
পুলিশে অভিযোগের পাশাপাশি কমিশনের দ্বারস্থ বিজয়ের দল
আর সেই ঘটনার পরে শাসক দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাখামের (টিভিকে) তরফে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশনেও যায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের দল। তারপর মঙ্গলবার সকালেই উদয়নিধিকে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ।
তারপর রাস্তায় নেমেছে টিভিকে এবং ডিএমকে। উদয়নিধিকে আটক করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখাচ্ছে বিরোধী দল ডিএমকের সমর্থকরা। আর বিরোধী দলনেতার ‘কুরুচিকর’ মন্তব্যের প্রতিবাদে টিভিকের কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। বর্ষীয়ান ডিএমকে নেতা আরএস ভারতী বলেছেন, ‘নিজের দায়িত্ব পালন করার জন্য ওঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেলা ১২ টার পরে গ্রেফতার না করার বিষয়ে আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এটা আদালত অবমাননা। তামিলনাড়ুতে কোনও আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। এর জন্য তাঁদের চড়া মূল্য চোকাতে হবে। জনগণ এটা মেনে নেবে না। আমরা এর পাল্টা জবাব দেব। উনি তৃষার নাম উল্লেখ করেননি।’
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।