Tejas Mk1A Fighter Jet Engine: তেজস MK1A যুদ্ধবিমানের ৩ 'পাওয়ার হাউস' এল ভারতে! ‘শাস্তি’ পাবে আমেরিকার সংস্থা?
Tejas Mk1A Fighter Jet Engine: ভারতের নিজস্ব যুদ্ধবিমান হল তেজস এমকে১এ যুদ্ধবিমান। আর সেই যুদ্ধবিমানের 'পাওয়ার হাউস' এল হ্যালের (হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড) কাছে। তবে এখনও কাজ অনেক বাকি। আর প্রয়োজন আছে।
Tejas Mk1A Fighter Jet Engine: তেজস এমকে১এ যুদ্ধবিমানের জন্য আরও তিনটি ইঞ্জিন হাতে পেল হ্যাল (হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড)। মার্কিন সংস্থা জিই এরোস্পেসের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের নিজস্ব যুদ্ধবিমান তেজস এমকে১এ ফাইটার জেটের জন্য অগস্টে আরও তিনটি এফ৪০৪-আইএন২০ (F404-IN20) ইঞ্জিন পাঠানো হয়েছে। তার ফলে মোট তেজস এমকে১এ যুদ্ধবিমানের জন্য মোট ১০টি ইঞ্জিন হাতে পেয়েছে হ্যাল। গত জুলাইয়ে সপ্তম ইঞ্জিন পেয়েছিল। ষষ্ঠ ইঞ্জিনে কিছুটা সমস্যা ছিল। যা পরবর্তীতে ঠিক করে দেওয়া হয়েছিল। আর সেটি ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছিল হ্যাল।

ইঞ্জিন ডেলিভারিতে লাগাতার দেরি, সমস্যা Tejas Mk1A বিমান তৈরিতে
তবে বাস্তবে যত সংখ্যক ইঞ্জিন আসার কথা ছিল, তার তুলনায় এখনকার সংখ্যাটা একেবারেই নগণ্য। মার্কিন সংস্থা ইঞ্জিন দেওয়ার বিষয়টি এতটাই ঝুলিয়েছে যে তেজস এমকে১এ যুদ্ধবিমানকে লাগাতার বিলম্বের মুখে পড়তে হয়েছে। মিগ-২১ যুদ্ধবিমান অবসর নেওয়ার পরে সেটির জায়গায় তেজস এমকে১এ ফাইটার জেট অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা ছিল ভারতীয় বায়ুসেনায়। কিন্তু সেটা হয়নি। ফলে যতসংখ্যক যুদ্ধবিমান থাকার কথা ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে, ততগুলি নেই।
২০২৬ সালে আরও ইঞ্জিন আসার কথা আছে
এমনিতে গত এপ্রিলে সংবাদসংস্থা এএনআইয়ে হ্যালের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ডিকে সুনীল বলেছিলেন, ‘আমাদের পাঁচটি ইঞ্জিন আছে। ষষ্ঠ ইঞ্জিন প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। এটি শীঘ্রই নিয়ে আসার হবে। গতবার যখন আমি জিই'তে গিয়েছিলাম, তখন আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে ওরা এই বছরের দ্বিতীয়ার্ধে অর্থাৎ জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আমাদের ২০টি ইঞ্জিন দেবে। জিইয়ের তরফ থেকে সেই ইঙ্গিতই দেখা হয়েছিল। এটা বেশ হতাশাজনক সংখ্যা। ওরা আমায় বলেছে যে ওদের আরও ভালো করা উচিত ছিল।’
দেরির জন্য মার্কিন সংস্থাকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে
আর এফ৪০৪ ইঞ্জিন দেরিতে ডেলিভারির ফল মার্কিন সংস্থাকেই ভুগতে হবে বলে নাকি সেইসময় হ্যালের আধিকারিকরা জানিয়েছিলেন। ওই সংবাদসংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, হ্যালের শীর্ষ আধিকারিকরা বলেছেন যে ‘চুক্তিতে এমন একটি বিধান রয়েছে যে লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফটের জন্য এফ-৪০৪ ইঞ্জিন সরবরাহের ক্ষেত্রে বিলম্ব হলে জিই অ্যাভিয়েশনের উপরে ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হবে। তাই চুক্তির শর্তানুসারেই এই খরচ বা জরিমানা আরোপ করা হচ্ছে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


