Tesla crashed: টেক্সাসে বাড়ির মধ্যে ঢুকে পড়ল টেসলা গাড়ি, প্রাণ হারালেন বৃদ্ধা
Tesla crashed: কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, মাইকেল বাটলার নামের এক ব্যক্তি তাঁর টেসলা মডেল-৩ গাড়িটি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সে সময় গাড়িটিতে একটি স্বয়ংক্রিয় চালনা সহায়তা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Tesla crashed: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ক্যাটি শহরে একটি টেসলা গাড়ির আবাসিক এলাকার একটি বাড়িতে সজোরে ধাক্কায় ৭৬ বছর বয়সি এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে দুর্ঘটনার সময় গাড়িটি স্বয়ংক্রিয় চালনা সহায়তা ব্যবস্থার মাধ্যমে চলছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে।
শনিবার হ্যারিস কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনার খবরটি নিশ্চিত করেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, মাইকেল বাটলার নামের এক ব্যক্তি তাঁর টেসলা মডেল-৩ গাড়িটি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সে সময় গাড়িটিতে একটি স্বয়ংক্রিয় চালনা সহায়তা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, গাড়িটি নির্ধারিত লেনে চলতে ব্যর্থ হয় এবং এক পর্যায়ে রাস্তা ছেড়ে পাশের একটি আবাসিক বাড়ির দিকে চলে যায়। পরে উচ্চগতিতে বাড়িটির দেওয়াল ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় বাড়ির ভেতরে ছিলেন এম. আভিলা নামে এক মহিলা। গাড়ির আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে দ্রুত হেলিকপ্টারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, একটি গাড়ি দ্রুতগতিতে আবাসিক এলাকার রাস্তা দিয়ে ছুটে গিয়ে বাড়িটিতে আঘাত হানে। তবে ভিডিওটির সত্যতা ও দুর্ঘটনার সঙ্গে এর সম্পর্ক তদন্তের অংশ হিসেবে যাচাই করছেন কর্মকর্তারা। যদিও ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। স্থানীয় প্রশাসনের প্রকাশিত ছবিতে দেখা গিয়েছে, দুর্ঘটনার ফলে বাড়িটির সামনের অংশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইটের দেওয়াল ভেঙে গাড়িটি বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, চালক মাইকেল বাটলারও আহত হয়েছেন। তবে তাঁর মধ্যে মাদক বা অ্যালকোহল সেবনের কোনও লক্ষণ পাওয়া যায়নি। তিনি তদন্তে সহযোগিতা করছেন। এখনও পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টেসলার স্বয়ংক্রিয় চালনা প্রযুক্তি নিয়ে নতুন করে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সড়কে নিরাপত্তা প্রশাসন (এনএইচটিএসএ) টেসলার পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় চালনা ব্যবস্থা নিয়ে পৃথক তদন্ত শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক চালনা সহায়তা প্রযুক্তি সড়ক নিরাপত্তা বাড়াতে সহায়ক হলেও এসব ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই প্রযুক্তি সক্রিয় থাকলেও চালকের সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় স্বয়ংক্রিয় চালনা সহায়তা ব্যবস্থা ঠিক কীভাবে কাজ করছিল এবং চালকের ভূমিকা কী ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার জন্য কোনও নির্দিষ্ট কারণকে দায়ী করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে হ্যারিস কাউন্টি কর্তৃপক্ষ।