Argentina risk FIFA action: বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেও বড়সড় শাস্তির মুখে আর্জেন্টিনা? খেপে গেলেন ইংরেজরা
Argentina risk FIFA action: ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেও আর্জেন্টিনা বড়সড় শাস্তির মুখে পড়তে পারে? সেরকমই আশঙ্কাপ্রকাশ করা হচ্ছে একটি মহলের তরফে। আর যে ঘটনার প্রেক্ষিতে এরকম হতে পারে, তাতে চটে গিয়েছেন ইংরেজরা।
Argentina risk FIFA action: বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেও ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা। সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাটলেটিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আটলান্টায় বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পরে মাঠ একটি ব্যানার নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায় কয়েকজন আর্জেন্টাইন ফুটবলারকে। যে ব্যানারে লেখা ছিল, 'মালভিনাসরা (ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ) হল আর্জেন্টাইন (Las Malvinas son Argentinas)।' আর তার জেরেই ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা। কারণ বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, মাঠে কোনওরকম রাজনৈতিক পতাকা, স্লোগান বা প্রতীক দেখানো যায় না।

কতদিনের মধ্যে পদক্ষেপ করতে হয় ফিফাকে?
তবে এক্ষেত্রে কী করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে ফিফার তরফে আপাতত কিছু জানানো হয়নি। ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাধারণত কোনওরকম সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিভিন্ন ম্যাচ রিপোর্ট জমা পড়ার জন্য অপেক্ষা করা হয় ফিফার তরফে। সেইসব রিপোর্ট জমা পড়ার পরে পুরো বিষয়টি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়। তারপর নেওয়া হয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। কতদিনের মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তার অবশ্য নির্ধারিত কোনও সময়সীমা নেই।
আগে জরিমানার মুখে পড়েছিল আর্জেন্টিনা
অতীতে অবশ্য 'মালভিনাসরা হল আর্জেন্টাইন' ব্যানার দেখানোর জন্য ফিফার আর্থিক জরিমানার মুখে পড়েছিল আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন। ২০১৪ সালে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, স্লোভেনিয়ার বিরুদ্ধে ফ্রেন্ডলি ম্যচের আগে ওই ব্যানার দেখানোয় আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশনকে ২০,০০০ পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছিল।
ব্যানারের নেপথ্যে ৭৪ দিনের যুদ্ধ
আর সেই ব্যানারের নেপথ্যে আছে ফকল্যান্ড যুদ্ধ। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে (আর্জেন্টিনার মূল ভূখণ্ডের পূর্বদিকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত) নিয়ে ইংল্যান্ডের সঙ্গে আর্জেন্টিনার দীর্ঘদিনের বিরোধ আছে। ১৯৮২ সালে দু'দেশের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল। ৭৪ দিনের যুদ্ধে আর্জেন্টিনার ৬৪৯ জন সৈন্য, ব্রিটেনের ২৫৫ জন সৈন্য এবং তিনজন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছিল। যুদ্ধ থামলেও ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে দু'দেশের মধ্যেই চাপা উত্তেজনা আছে।
চটে গেলেন ইংরেজরা
সেই আবহে আটলান্টায় আর্জেন্টিনা ওই ব্যানার নিয়ে মাঠে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করায় চটে গিয়েছেন ইংরেজদের একাংশ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের তরফে বলা হয়েছে, 'সেমিফাইনালে জয়ের পরে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা প্ররোচনামূলক ব্যানার তুলে ধরেছেন।' একইসুরে ব্রিটিশ নেটিজেনদের একাংশও তুমুল ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


