US official enjoys fake India report: ভারতের খারাপ হয়েছে শুনে আনন্দে লাফালেন শীর্ষ মার্কিন কর্তা, আদতে ওটা ভুয়ো খবর ছিল

US official enjoys fake India report: ভারতের খারাপ হয়েছে শুনে আনন্দে লাফিয়ে ওঠেন শীর্ষ মার্কিন কর্তা। কিন্তু যে খবর দেখে এত লাফিয়ে ওঠেন, তা আদতে ভুয়ো খবর ছিল। যা নিয়ে চরম কটাক্ষের মুখে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কর্তা।

Published on: Oct 9, 2026, 11:17:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

US official enjoys fake India report: ভারত ধাক্কা খেয়েছে শুনেই আনন্দে লাফিয়ে উঠেছিলেন শীর্ষ মার্কিন কর্তা। যদিও যে খবর দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন, তা আদতে ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর ছিল। এমনকী যে পোস্ট রিটুইট করে তিনি নিজের আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন, তাতেই ‘কমিউনিটি নোট’ জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের লিঙ্ক যোগ করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে যে আদতে ওটা ভুয়ো খবর ছিল। আর তারপরই কটাক্ষের মুখে পড়েছেন মার্কিন কর্তা ইনস্পেক্টর জেনারেল অ্যান্টনি ডি'এসপোসিটো।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষকর্তা অস্বস্তিতে ফেললেন নিজেকেই। (ছবি সৌজন্যে এএফপি)
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষকর্তা অস্বস্তিতে ফেললেন নিজেকেই। (ছবি সৌজন্যে এএফপি)

গ্রিন কার্ড সংক্রান্ত কঠোর পদক্ষেপ ট্রাম্পদের

আসলে বৃহস্পতিবার রাতে (ভারতীয় সময় অনুযায়ী) মার্কিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয় যে আমেরিকার পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম (পিইআরএম) থেকে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), ইনফোসিস, কগনিজেন্ট, মাইক্রোসফট-সহ আটটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাকে আপাতত বরখাস্ত করা হচ্ছে। যা এইচ-১বি ভিসাধারীদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ছিল।

ভারতকে নিয়ে ভুয়ো খবর

আর ট্রাম্প প্রশাসনের সেই সিদ্ধান্তের ফলে স্বভাবতই ধাক্কা খান ভারতীয়রা। কারণ এইচ-১বি ভিসাধারীদের একটা বড় অংশই ভারত থেকে আমেরিকায় যান। সেই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে এক ইউজার দাবি করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নয়া সিদ্ধান্তের পরই ভারতীয় শেয়ার বাজার ধসে গিয়েছে। এমনকী ওই ব্যক্তি বলেন, 'ওদের (ভারতের) পুরো অর্থনীতি কি আমাদের দেশকে প্রতারিত করার উপরই ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল?‘

আরও পড়ুন: প্রসঙ্গে গ্রিনকার্ড প্রোগ্রাম! TCS, ইনফোসিস সহ একঝাঁক IT ফার্মের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ ট্রাম্পের USর

সেই পোস্টের প্রেক্ষিতেই ডি'এসপোসিটো যে শব্দবন্ধ ব্যবহার করেন, সেটা টিটকিরির শামিল বলে মনে করছেন অনেকের। নেটিজেনদের মতে, ভারতীয় শেয়ার বাজারে রক্তক্ষরণ হয়েছে শুনে আসলে আনন্দ প্রকাশ করে সেই মন্তব্য করেন মার্কিন প্রশাসনের ওই শীর্ষকর্তা।

ততক্ষণে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ভারতীয় শেয়ার বাজারের অফিসাররা

যদিও যে রিপোর্টের ভিত্তিতে ডি'এসপোসিটো ওই মন্তব্য করেন, সেটাই ভুয়ো। কারণ বৃহস্পতিবার রাতে যখন ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে সেই ঘোষণা করা হয়েছে, ততক্ষণে ভারতের শেয়ার বাজার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এতটাই দেরি হয়ে গিয়েছিল যে শেয়ার বাজারের সঙ্গে যুক্ত কেউ-কেউ ওই সময় ঘুমোতেও চলে গিয়েছিলেন আজ সকালে উঠতে হবে বলে। তার জেরে স্বভাবতই কটাক্ষের মুখে পড়েছেন মার্কিন কর্তা।

আরও পড়ুন: Pakistan denies PAF Fighter Jets Report: ‘ইরানের বন্ধুর উপর হামলা পাক যুদ্ধবিমানের’, রিপোর্ট ফাঁস হতেই চিৎকার ইসলামাবাদে

ভারতের বাজারের উত্থান হয়েছে আজ, চড়েছে TCS-র শেয়ার

এমনিতে বৃহস্পতিবার ভারতের শেয়ার বাজারের রক্তক্ষরণ হয়েছিল। ১,০৪৫ পয়েন্ট পড়েছিল সেনসেক্স। ২১ মাসের সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গিয়েছিল নিফটি। আর সেটার নেপথ্যে ছিল অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিশ্বের আর্থিক অবস্থা। তার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের গ্রিন কার্ড সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের কোনও যোগই ছিল না।

আরও পড়ুন: Super El Nino Impact: 'পৃথিবীর প্রায় পুরোটাই লাল!' 'সুপার-ডুপার এল নিনো' নিয়ে চরম সতর্কবার্তা রাষ্ট্রসংঘের

বরং সেই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরে আজ যখন ভারতীয় শেয়ার বাজার খুলেছে, তখন বরং কিছুটা উঠে দাঁড়িয়েছে গ্রাফ। বৃহস্পতিবারের থেকে প্রায় ৮০০ পয়েন্ট চড়েছে সেনসেক্স। নিফটি চড়েছে ২৬২ পয়েন্টের মতো। আবার টিসিএসের শেয়ারের উত্থান তো পাঁচ শতাংশের বেশি হয়েছে।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More