India Wins against Pakistan Under 19 Asia Cup: আরও এক ‘নো হ্যান্ডশেক’ ম্য়াচ! অনুর্ধ্ব ১৯-এও পাকিস্তানকে দুরমুশ করল ভারত
রবিবাসরীয় এই ভারত-পাক ম্যাচে টসে জিতে পাকিস্তান ফিল্ডিং বেছে নেয়। তবে ম্যাচ বৃষ্টির জন্য খানিকটা বিঘ্নিত হয়। ফলে প্রতিটি টিমই ৪৯ ওভার পায়।
আরও একবার দুবাইয়ের মাটি! আরও এক রবিবার! আরও একবার ক্রিকেটের ২২ গজে পাকিস্তানকে দুরমুশ করে ছাড়ল ভারত। এবার ভারতের অনুর্ধ্ব১৯ টিমের কাছে পরাস্ত পাকিস্তান। আর এদিনও দুবাই দেখল আরও এক ‘নো হ্যান্ডশেক ম্যাচ’! ২০২৫ অনুর্ধ ১৯র এশিয়া কাপের ময়দানে সূর্যবংশীদের টিম এদিন পাকিস্তানকে ৯০ রানে হারিয়ে দেয়।

রবিবাসরীয় এই ভারত-পাক ম্যাচে টসে জিতে পাকিস্তান ফিল্ডিং বেছে নেয়। তবে ম্যাচ বৃষ্টির জন্য খানিকটা বিঘ্নিত হয়। ফলে প্রতিটি টিমই ৪৯ ওভার পায়। এরপর সকলের নজর ছিল ব্যাট হাতে সূর্যবংশীর দিকে। তবে ভারতের ইনিসের শুরুতেই ,সূর্যবংশী ৫ রানে আউট হন, টিমের ক্যাপ্টেন আয়ূষ মাত্রে ৩৮ রানে আউট হন।এদিনের ম্যাচে অন্যতম পাওনা হিসাবে উঠে আসেন অ্যারোন জর্জ! তবে অ্যারন জর্জ পাক বোলিং এর সামনে কার্যত দেওয়াল হয়ে ওঠেন! বাউন্ডারি-খচিত তাঁর ইনিংসে আসে ৮৮ বলে ৮৫ রান। যার ওপর ভর করে ভারতের সংগ্রহে আসে ২৪০। প্রথমে মাত্রের সঙ্গে ৪৯ রানের পার্টনারশিপ হয় জর্জের। পরে অভিজ্ঞান কুন্ডুর সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান জর্জ। মহম্মদ সইয়ম ও আলি রাজাদের পেস অ্যাটাকের মাঝে কার্যত ভারতের হয়ে ঢাল হয়ে দাঁড়ান জর্জ। অনেকেরই প্রশ্ন, আসন্ন দিনে, অ্যারন জর্জই কি হয়ে উঠবেন পরবর্তী সঞ্জু স্যামসন?
অন্যদিকে, ২৪১র টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে পাকিস্তানের দুই ওপেনার সমীর মিনহাস, উসমান খান নামেন মাঠে। কর্মাগত পড়তে থাকে পাকিস্তানের উইকেট। এরপর একটা সময় গিয়ে ২১ ওভার শেষে দেখা যায় পাকিস্তানের স্কোর ৬৬ রানে ৪ উইকেট। এরপর থেকে আর সেভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি পাক টিম। উইকেট পতন চলতেই থাকে। ২৭ ওভার শেষে ৮৫ রানে ৫ উইকেট হয় পাকিস্তানের স্কোর। ফরহান ইউসুফের উইকেট আসে বৈভব সূর্যবংশীর পকেটে। ক্রমাগত ব্যাকফুটে যেতে থাকে পাকিস্তান। ক্রমাগত নজর কাড়তে থাকেন দেবেন্দ্রনের মতো বোলাররা। শেষে নবম উইকেটে পাকিস্তানের ওপর রানের পাহাড় চাপতে থাকে। শেষে ৯০ রানে পাকিস্তানকে পরাস্ত করে ভারত।
প্রসঙ্গত, এই ম্যাচেও টসের সময় পাকিস্তানের ক্যাপ্টেনের সঙ্গে হাত মেলাতে দেখা যায়নি ভারত অধিনায়ক মাত্রেকে। ম্যাচের শেষেও ছবিটা একই ছিল। ফলে আরও এক ‘নো হ্যান্ডশেক’ ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের সাক্ষী থাকল দুবাই।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


