Dharmendra Pradhan Paper Leak Protest: প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বিক্ষোভ দেখিয়ে মার খেয়েছিলেন এই ধর্মেন্দ্র প্রধান, কবে জানেন?

Dharmendra Pradhan Paper Leak Protest: নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় প্রবল চাপের মুখে পড়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সেই ধর্মেন্দ্র প্রধানই পথে নেমেছিলেন প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে।

Published on: Jul 22, 2026, 14:28:47 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Dharmendra Pradhan Paper Leak Protest: নিটের (সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা) প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ চলছে। দিল্লিতে আন্দোলনের ঝাঁঝ সবথেকে বেশি। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সংসদ অভিযান করেছে। বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্যদের পাশাপাশি আন্দোলনকারীরা দাবি তুলেছেন যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে (তাঁর আমলে একাধিক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে) ইস্তফা দিতে হবে। যতক্ষণ না ইস্তফা দেবেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী, ততক্ষণ চলবে আন্দোলন।

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পথে নেমেছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

আর সেই ধর্মেন্দ্র প্রধানই নাকি এককালে প্রশ্নপত্র ফাঁস-কাণ্ডে প্রতিবাদ করে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এডেক্স লাইভের (প্রকাশের তারিখ দেখাচ্ছে ২০২১ সালের ১৬ জুলাই) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভুবনেশ্বরের আরএমডি ডিগ্রি কলেজের তৎকালীন প্রিন্সিপাল প্রশান্ত রাউত জানিয়েছিলেন যে ১৯৯৭ সালে ওড়িশা প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন ধর্মেন্দ্র।

আরও পড়ুন: NEET Topper on Question Leak Protest: ‘না পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে যাব কেন?’ বললেন NEET ‘টপার’, মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রীও

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশান্ত নাকি উৎকল বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর জুনিয়র ছিলেন। ১৯৯৭ সালের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে যখন প্রতিবাদে নেমেছিলেন ধর্মেন্দ্র, তখন তিনি এবিভিপির জাতীয় সম্পাদক ছিলেন। ওড়িশা সচিবালয়ের সামনে আয়োজিত সেই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রায় ১,৫০০ পড়ুয়া যোগ দিয়েছিলেন।

'ধর্মেন্দ্রকে বেধড়ক মারধর, হয়েছিল ফ্র্যাকচারও'

প্রশান্তকে উদ্ধৃত করে ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, শান্তিপূর্ণভাবে তাঁরা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালানো হলেও পুলিশ ‘অ্যাকশন’ নিয়েছিল। ধর্মেন্দ্রকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছিল। এমনই মারা হয়েছিল যে বর্তমান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর কয়েকটি ফ্র্যাকচারও হয়েছিল বলে দাবি করেন প্রশান্ত।

আরও পড়ুন: Kolkata Girl becomes Global Topper: 'বিশ্বসেরা' হলেন কলকাতার ছাত্রী, সুযোগ লন্ডনের কলেজে, ‘টপার’ হয়েছেন আরও ২ পড়ুয়া

'ধর্মেন্দ্র মনে করতেন ভিন্নমত পোষণ করা স্বাভাবিক'

সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশান্ত দাবি করেন যে ধর্মেন্দ্র মনে করতেন যে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের মনোভাব ব্যক্তি করা স্বাভাবিক। তাঁদের প্রতিবাদ করা বা ভিন্নমত পোষণ করার অধিকার আছে। কিন্তু সেই প্রতিবাদ হতে হবে অহিংস এবং গণতান্ত্রিক। তাই ধর্মেন্দ্ররা বিক্ষোভ দেখালেও কখনও হিংসায় উস্কানি দিতেন না বলে দাবি করেন প্রশান্ত।

আরও পড়ুন: SC on CJP Protest Urgent Hearing: 'সময় নষ্ট করবেন না', ‘আরশোলাদের’ উপরে পুলিশি ‘বর্বরতার’ মামলায় বলল সুপ্রিম কোর্ট

পড়ুয়াদের স্বার্থরক্ষায় বদ্ধপরিকর সরকার, বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর

আর সেই ধর্মেন্দ্র এখন প্রবল চাপের মধ্যে আছেন। যদিও তিনি অভিযোগ করেছেন, নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থেই পড়ুয়াদের স্রেফ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন বিরোধীরা। সরকার পড়ুয়াদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে বদ্ধপরিকর। তাঁর কথায়, 'নেহাতই ক্ষোভ প্রকাশের থেকেও পড়ুয়াদের কাছে বেশি কিছু করার দায়বদ্ধতা রয়েছে আমাদের। তাঁদের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা হল—জবাব দেওয়া, সংস্কার সাধন এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা। আর ঠিক এই বিষয়গুলোই বাস্তবায়নে আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More