Pocso Case: পকসো মামলায় অভিযোগ! গ্রেফতার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র ভগীরথ, মন্ত্রী বললেন, ‘ছেলেকে..’
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং বিজেপি সাংসদ বান্দি সঞ্জয় কুমার শনিবার বলেছেন যে, ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীর হয়রানি ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগের পর দায়ের করা মামলাটির তদন্তের জন্য তিনি সাইকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন।
গ্রেফতারি থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা দিতে তেলাঙ্গানা হাইকোর্ট অস্বীকার করার কয়েক ঘণ্টা পরেই, এক নাবালিকাকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বান্দি সঞ্জয় কুমারের ছেলে বান্দি ভগীরথ সাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং বিজেপি সাংসদ বান্দি সঞ্জয় কুমার শনিবার বলেছেন যে, ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীর হয়রানি ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগের পর দায়ের করা মামলাটির তদন্তের জন্য তিনি সাইকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন,'আমার ছেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর তদন্তের জন্য আমি আইনজীবীদের মাধ্যমে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।' সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভগীরথ তার আইনজীবীদের সঙ্গে সন্ধ্যায় পেট বশিরবাদ থানায় এসে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জানান, ‘তবে, আমার মনে হয়েছিল আর দেরি করা ঠিক হবে না। আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি সম্মান রেখে, আমি আমার ছেলেকে নিয়ে এসে তদন্তের জন্য আইনজীবীদের মাধ্যমে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।’
পুলিশ জানিয়েছে, যথাযথ জিজ্ঞাসাবাদ ও ডাক্তারি পরীক্ষার পর তাকে মেদচালের একটি স্থানীয় আদালতে হাজির করা হবে। এদিকে, বিবৃতিতে ওই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বন্দি ভাগীরথ বলেছেন, ‘আমি আগেও বলেছি যে, সে আমার ছেলে হোক বা একজন সাধারণ নাগরিক, আইনের চোখে সবাই সমান। আমাদের সকলকেই আইন মেনে চলতে হবে।’
সাই দাবি করেছেন যে, মামলাটি একটি 'হানি-ট্র্যাপ ও চাঁদাবাজির চেষ্টার' ফল। তিনি বলেন, তিনি এর আগেও পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছিলেন যে, ওই নাবালিকা ও তার বাবা-মা তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিচ্ছিল এবং ৫ কোটি টাকা দাবি করছিল। শুক্রবার প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত চলা এক শুনানিতে তেলেঙ্গানা হাইকোর্ট সাইকে গ্রেফতার থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা দেয়নি। আর তারপরই এই গ্রেফতারি। কোর্ট, ভগীরথের দায়ের করা আগাম জামিনের আবেদনের ওপর আদেশ সংরক্ষিত রেখেছেন এবং ঘোষণা করেছেন যে আগামী ২১শে মে রায় ঘোষণা করা হবে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


