US State Department: কূটনীতিকদের কর্মীদের 'নিরাপত্তা উদ্বেগ!' পাকিস্তানের পেশোয়ার কনস্যুলেট বন্ধ করছে US

US State Department: মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগের দায়িত্ব এখন থেকে ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Published on: May 6, 2026, 13:07:12 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

US State Department: পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের পেশোয়ারে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট বন্ধ করে দিচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মঙ্গলবার মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, মার্কিন কনস্যুলেট জেনারেলের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেওয়া হবে। কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আরও দক্ষ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ওয়াশিংটন নিশ্চিত করেছে।

পেশোয়ার কনস্যুলেট বন্ধ করছে US (File Photo / REUTERS)
পেশোয়ার কনস্যুলেট বন্ধ করছে US (File Photo / REUTERS)

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগের দায়িত্ব এখন থেকে ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এক বিবৃতিতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, এখন থেকে পেশোয়ার কনস্যুলেটের যাবতীয় কূটনৈতিক দায়িত্ব ও কার্যাবলী ইসলামাবাদের মার্কিন দূতাবাস থেকে পরিচালিত হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই সিদ্ধান্ত আমাদের কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা এবং সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনার প্রতি আমাদের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।’ পেশোয়ার মিশন কয়েক দশক ধরে আফগান সীমান্তের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে এসেছে।

পেশোয়ারে সরাসরি উপস্থিতি কমে গেলেও পাকিস্তানের প্রতি মার্কিন প্রশাসনের নীতিগত অগ্রাধিকার এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে কোনও পরিবর্তন হবে না বলেও বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের স্থানীয় নেতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পর্ক বজায় রাখার কাজ ইসলামাবাদ থেকেই অব্যাহত থাকবে। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, কূটনৈতিক এই পরিবর্তনের ফলে পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিশনগুলো এখন ইসলামাবাদ, করাচি এবং লাহোরে সীমাবদ্ধ থাকবে। এই তিনটি শহরের মিশনের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুসংহত করার প্রচেষ্টা চলবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির নানা উত্থান-পতন ঘটেছে। ফলে মার্কিন কর্মকর্তাদের চলাচলের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। এমতাবস্থায় নিরাপদ ও শক্তিশালী কূটনৈতিক বলয় তৈরির লক্ষ্যে এই কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট।