UPSC Civil Services prelims pattern: UPSC সিভিল সার্ভিসের পরীক্ষার ধাঁচ পালটাবে? এই প্রার্থীদের নম্বর পেতে হবে সুবিধা
UPSC Civil Services prelims pattern: ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (UPSC) সিভিল সার্ভিস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ধাঁচে পরিবর্তন আসতে চলেছে কি? সেই মর্মে রিপোর্ট জমা পড়ল। তার ফলে লাভবান হতে পারেন নন-সায়েন্স পড়ুয়ারা।
UPSC Civil Services prelims pattern: ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (UPSC) সিভিল সার্ভিস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় কি বড় কোনও পরিবর্তন আসতে চলেছে? সম্প্রতি একটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার অ্যাপটিটিউড টেস্ট বা সিএসএটি (CSAT) পেপারের ব্যাপক পর্যালোচনার সুপারিশ করেছে বলে একাধিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে। কমিটির মতে, বর্তমান পরীক্ষার ধাঁচে বিজ্ঞান বা প্রযুক্তিগত ব্যাকগ্রাউন্ডের পড়ুয়ারা কিছুটা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। কিছুটা পিছিয়ে থেকেই লড়াইটা শুরু করছে আর্টস বা কলা বিভাগের প্রার্থীরা।

বৈষম্যের অভিযোগ ও সংসদীয় কমিটির পর্যবেক্ষণ
সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৬ মার্চ রাজ্যসভায় পেশ করা হয়েছে। রাজ্যসভায় পেশ করা এই রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান সিএসএটি পরীক্ষার সিলেবাস এবং প্রশ্নের কাঠিন্য এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যা নন-সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের পড়ুয়াদের জন্য অত্যন্ত প্রতিকূল।
বিজেপির সাংসদ এবং উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ব্রিজ লালের নেতৃত্বাধীন এই কমিটি দাবি করেছে, সিএসএটিতে মূলত ম্যাথমেটিক্যাল এবং অ্যানালিটিক্যাল প্রশ্নের আধিক্য থাকে। এর ফলে আইআইটি বা ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ডের প্রার্থীরা অনায়াসেই এই বাধা পার করতে পারলেও, দক্ষ হওয়া সত্ত্বেও অনেক কলা বিভাগের পড়ুয়া এই পর্যায়ে আটকে যাচ্ছেন।
কমিটির মতে, সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্র থেকে মেধাবীদের তুলে আনা। কিন্তু বর্তমান সিএসএটি প্যাটার্ন সেই সমান সুযোগ বা 'লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড' নষ্ট করছে।
পরিসংখ্যান কী বলছে?
সংসদে উল্লেখ করা হয়েছে যে সফল প্রার্থীদের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ৬৫ শতাংশই ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ডের। এটি সিভিল সার্ভিসে বৈচিত্র্যের পথে একটি বড় বাধা। তিনি আরও জানান, সিএসএটি একটি কোয়ালিফাইং পেপার হলেও এর প্রযুক্তিগত প্রশ্নের কাঠিন্য অনেক সময় এতটাই বেশি হয় যে, প্রার্থীরা জেনারেল স্টাডিজ-১ পেপারে ভালো নম্বর পেয়েও বাদ পড়ে যান। কারণ সিএসএটিতে ৩৩ শতাংশ নম্বর না পেলে প্রথম পত্রের ওএমআর শিট মূল্যায়নই করা হয় না।
স্বচ্ছতা ও সংস্কারের সুপারিশ
কমিটি সুপারিশ করেছে যে, ইউজিসি বা বিশেষজ্ঞ পর্ষদের মাধ্যমে সিএসএটির সিলেবাস এবং কাঠিন্যের স্তরটি পুনরায় পরীক্ষা করা উচিত। একইসঙ্গে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া প্রার্থীদের ফিডব্যাক বা নম্বর না জানানোর প্রক্রিয়ারও সমালোচনা করেছে কমিটি। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য কমিটি কমিশনকে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে।
ইউপিএসসির এই সম্ভাব্য সংস্কারটি বাস্তবায়িত হলে তা ভারতের হাজার হাজার প্রার্থীর ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের আর্টস ব্যাকগ্রাউন্ডের পড়ুয়াদের জন্য এটি একটি আশার আলো হিসেবে দেখা দিচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, সংসদীয় কমিটির এই সুপারিশের ভিত্তিতে কমিশন ঠিক কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


