UPSC Civil Services Preparation Tips: UPSC-র জন্য ছাড়েন বড় চাকরি, ৪ বার ধাক্কা, পরে কোন মন্ত্রে সাফল্য পেলেন সাক্ষী?
UPSC Civil Services Preparation Tips: ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা অনেকের কাছেই স্বপ্ন। সেরকমই স্বপ্নপূরণের জন্য নিজের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের (সিএ) চাকরি ছেড়ে দেন সাক্ষী জৈন। পঞ্চম অ্যাটেম্পটে বাজিমাত করলেন পরীক্ষায়।
UPSC Civil Services Preparation Tips: ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার জন্য চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের (সিএ) চাকরি ছেড়ে দেন। কোভিডের সময় ছেড়ে দেন সেই চাকরি। তারপর টানা চারবার নিজের কাঙ্খিত সাফল্যে পৌঁছাতে পারেননি। দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ অ্যাটেম্পটে তো প্রিলিমিনারি এবং মেনস পরীক্ষায় পাশ করেছিলেন। তবে আটকে যান ইন্টারভিউ পর্যায়ে। শেষপর্যন্ত পঞ্চম অ্যাটেম্পটে বাজিমাত করেছেন সাক্ষী জৈন।

কোভিডের আবহে প্রস্তুতি শুরু এবং প্রাথমিক ধাক্কা
২০২০ সালে যখন গোটা বিশ্ব কোভিড-১৯ মহামারীর কবলে পড়েছিল, ঠিক সেইসময় সাক্ষী তাঁর ব্যাঙ্কের চাকরি ছেড়ে দেন এবং পুরোপুরি ইউপিএসসির প্রস্তুতিতে মনোনিবেশ করেন। ২০২১ সালে তিনি প্রথমবার পরীক্ষা দেন। কিন্তু প্রথমবারেই সাফল্য আসেনি। এই ব্যর্থতা তাঁকে হতাশ করেনি, বরং নিজের দুর্বলতাগুলো বুঝতে সাহায্য করেছিল।
ধারাবাহিকতা এবং ইন্টারভিউয়ের চড়াই-উতরাই
সাক্ষীর ইউপিএসসি যাত্রার সবচেয়ে অবিশ্বাস্য দিক হল তাঁর ধারাবাহিকতা। ২০২২ সাল, ২০২৩ সাল এবং ২০২৪ সালের পরীক্ষায় তিনি পরপর প্রিলিমস ও মেইনস পাশ করে ইন্টারভিউ বা পার্সোনালিটি টেস্ট রাউন্ড পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন। কিন্তু একদম শেষ ধাপে এসে কয়েক নম্বরের জন্য তাঁর সিলেকশন আটকে যাচ্ছিল। যে কোনও সাধারণ মানুষের জন্য পরপর তিনবার ইন্টারভিউতে গিয়েও ব্যর্থ হওয়া অত্যন্ত মানসিক চাপ ও হতাশার কারণ হতে পারে।
কিন্তু সাক্ষী হাল ছাড়েননি। অবশেষে ২০২৫ সালের পরীক্ষায় তিনি কেবল পাশই করেননি। বরং সর্বভারতীয় স্তরে ৩৭ তম স্থান অধিকার করেন। ফলাফল প্রকাশের পর রাজস্থানি ঐতিহ্য মেনে তাঁর পরিবার তাঁকে সাফা (পাগড়ি) পরিয়ে বরণ করে নেয় এবং আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে।
কীভাবে পড়াশোনা করতেন সাক্ষী?
১) ডেইলি প্ল্যানিং: সাক্ষী প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে পরের দিনের একটি সম্পূর্ণ রুটিন তৈরি করে রাখতেন। পরের দিন কোন-কোন বিষয় পড়তে হবে এবং সিলেবাসের কতটা অংশ শেষ করতে হবে, তা আগে থেকেই নির্দিষ্ট করা থাকত।
২) ১০ ঘণ্টার কঠোর পরিশ্রম: প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন তিনি। লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি থামতেন না।
৩) মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ তথা স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট: দীর্ঘ সময় ধরে পড়াশোনা করার ফলে যে মানসিক ক্লান্তি বা স্ট্রেস আসত, তা দূর করার জন্য তিনি গার্ডেনিং করতেন। হাঁটাহাঁটি করতেন। এটি তাঁকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করত।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


