UPSC Success Story IAS Tripti Kalhans: টানা ৪ বার UPSC পরীক্ষার 'ফেল', তাও কোন কৌশলে IAS হলেন তৃপ্তি? শেয়ার করলেন টিপসও
UPSC Success Story IAS Tripti Kalhans: ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা অনেকের কাছেই স্বপ্নপূরণের ধাপ। তেমনই একজন হলেন তৃপ্তি কলহংস। যিনি প্রথম চারটি অ্যাটেম্পটে কাঙ্খিত সাফল্য পাননি। পঞ্চম অ্যাটেম্পটে করেন বাজিমাত।
UPSC Success Story IAS Tripti Kalhans: ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা নেহাতই ১০০ মিটারের স্প্রিন্ট নয়। বরং এটা একটা ম্যারাথন। আর সেটা একদম উপযুক্ত প্রমাণ হলেন আইএএস অফিসার তৃপ্তি কলহংস। দিল্লির মেয়ে টানা চারবার ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস কাঙ্খিত ফল করতে পারেননি। কিন্তু পঞ্চম অ্যাটেম্পটে বাজিমাত করেছেন সেই নীতিতেই।

UPSC-র প্রথম ৪ অ্যাটেম্পটে ধাক্কা
ইউপিএসসির প্রস্তুতি শুরু করার পর তৃপ্তি প্রথম চারটি অ্যাটেম্পটে সাফল্য পাননি। স্বপ্নপূরণ না হলেও হাল ছাড়েননি। ভেঙে না পড়ে প্রতিবার চুলচেরা বিশ্লেষণ করতেন যে ঠিক কোথায় তাঁর খামতি থেকে যাচ্ছে। সেইমতো পড়াশোনার কৌশল বদলে ফেলতেন। মেইনস পরীক্ষার জন্য উত্তর লেখার অভ্যেসের উপরে সবচেয়ে বেশি জোর দেন এবং নিজের অপশনাল সাবজেক্ট বা ঐচ্ছিক বিষয়ের উপরে আরও গুরুত্ব দিতে থাকেন।
পঞ্চম অ্যাটেম্পটেই ঘুরল ভাগ্যের চাকা
তৃপ্তির মতে, এই দীর্ঘ লড়াইয়ের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নিজের ওপর বিশ্বাস হারানো যাবে না। আর সেই মন্ত্র রেখেই কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগের দাম পান। পঞ্চম অ্যাটেম্পটে ১৯৯ তম স্থান অর্জন করেন। হয়েছেন আইএএস অফিসার।
UPSC পরীক্ষার্থীদের জন্য তৃপ্তির মূলমন্ত্র
১) ধৈর্য ও সংযম: ইউপিএসসি কোনও ১০০ মিটারের স্প্রিন্ট রেস নয়, এটি একটি ম্যারাথন দৌড়। এখানে সফল হতে হলে মাসের পর মাস, এমনকী বছরের পর বছর ধৈর্য ধরে রাখতে হবে। সংযমই হল এই পরীক্ষার সবচেয়ে বড় শক্তি।
২) ধারাবাহিকতা: দিনে কত ঘণ্টা পড়া হল, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল প্রতিদিন পড়া হচ্ছে কিনা। পড়াশোনায় কোনও বিরতি দেওয়া যাবে না। অল্প সময় হলেও প্রতিদিন নিয়ম মেনে পড়াশোনা করতে হবে।
৩) সীমিত বইপত্র: বাজারে পাওয়া যাওয়া শত-শত বই পড়ার কোনও প্রয়োজন নেই। তার চেয়ে ভালো, নিজের প্রয়োজনীয় অল্প কয়েকটি বই বা স্টাডি মেটেরিয়াল বেছে নিন এবং বারবার রিভিশন দিন।
৪) মক টেস্ট: নিজের প্রস্তুতির মান কেমন, তা যাচাই করার জন্য নিয়মিত মক টেস্ট এবং টেস্ট সিরিজ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এটি পরীক্ষার ভীতি দূর করে এবং সময়ের সঠিক ব্যবহার শেখায়।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


