India's 6th Generation Fighter Jet: মার্কিন নৌসেনার ষষ্ঠ প্রজন্মের ফাইটার বানাবে বোয়িং! রেসে ভারতও, পেল আরও ‘সুযোগ’
India's 6th Generation Fighter Jet: মার্কিন নৌসেনার সিক্সথ জেনারেশন এফ/এ-এক্সএক্সস্ট্রাইক (F/A-XX Strike) ফাইটার জেট তৈরির বরাত পেল বোয়িং। ইতিমধ্যে মার্কিন বায়ুসেনার জন্য ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি করছে।
India's 6th Generation Fighter Jet: মার্কিন নৌসেনার জন্য নয়া প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির বরাত পেল বোয়িং। যা এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারে ওঠানামা করতে হবে পেন্টাগনের তরফে জানানো হয়েছে, মার্কিন নৌসেনার সিক্সথ জেনারেশন এফ/এ-এক্সএক্সস্ট্রাইক (F/A-XX Strike) ফাইটার জেট তৈরি করার প্রকল্পের জন্য বোয়িংকে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে টেস্ট এয়ারক্র্যাফট তৈরির জন্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক চললে ওই প্রকল্পের বহর বেড়ে কয়েকশো বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যেতে পারে।

মার্কিন বায়ুসেনার F-47 তৈরি করছে বোয়িং
এমনিতে গত বছর মার্চেই মার্কিন বায়ুসেনার নয়া ষষ্ঠ প্রজন্মের এফ-৪৭ যুদ্ধবিমান (স্টেলথ ফাইটার জেট) তৈরির বরাত পেয়েছে বোয়িং। নৌসেনার জন্যও সেই পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির দৌড়ে এগিয়েছিল। নৌসেনার জন্য এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারের উপযুক্ত ফাইটার জেট বানানোর অভিজ্ঞতা আছে। যে তালিকায় আছে সুপার হর্নেটের মতো ফাইটার। পেন্টাগনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সুপার হর্নেটের মতো ফাইটারের পরিবর্তে মার্কিন নৌসেনায় যুক্ত হবে ষষ্ঠ প্রজন্মের ফাইটার জেট।
রেসে আছে ভারতও, সামিল জোড়া প্রকল্পে
যে ষষ্ঠ প্রজন্মের ফাইটার জেট তৈরির দৌড়ে সামিল আছে ভারত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম যে দুটি বড় প্রকল্প আছে, তাতে ভারত নিজের অবস্থান মজবুত করার চেষ্টা করছে। একটি প্রকল্প হল 'গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রাম'। তাতে আছে জাপান, ইতালি এবং ব্রিটেন। আর অপরটি হল 'ফিউচার কমব্যাট এয়ার সিস্টেম' (এফক্যাস)। ওই প্রকল্প থেকে জার্মানি বেরিয়ে যাওয়ার পরে মূলত ফ্রান্সই নেতৃত্ব দিচ্ছে।
FCAS ও AMCA একইসঙ্গে আকাশে উড়তে পারে
সবকিছু ঠিকঠাক এফক্যাস প্রকল্পের আওতায় তৈরি নয়া প্রজন্মের যুদ্ধবিমান প্রথমবার উড়বে ২০২৮-২৯ সাল নাগাদ। যে সময় ভারতের একেবারে নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান অ্যামকাও (অ্যাডভান্স মিডিয়াল কমব্যাট এয়ারক্রাফট) আকাশে উড়তে পারে। সেইসঙ্গে এফক্যাস প্রকল্পের আওতায় সবকিছু ঠিকঠাক গেলে ভারতের হাত অনেকটাই মজবুত হবে।
‘পঞ্চম এবং ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি করবে ভারত’
বিশেষজ্ঞদের মতে, এফক্যাস প্রকল্প থেকে জার্মনি যে বেরিয়ে গিয়েছে, তাতে আখেরে ভারতের শাপে বর হয়েছে। কীভাবে সেই যুদ্ধবিমান কাজ করবে এবং পরমাণু সংক্রান্ত বিষয়ে জার্মানি এবং ফ্রান্সের মধ্যে দ্বিমত তৈরি হয়েছিল। নয়াদিল্লির ক্ষেত্রে সুবিধা হল যে দুটি ক্ষমতাই ভারতের কাছে আছে। ইতিমধ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, ঘরোয়াভাবে পঞ্চম এবং ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি করবে ভারত।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


