US Tariff on India: নতুন অভিযোগ ট্রাম্পের, ভারত-সহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ করতে পারে আমেরিকা
ভারত-সহ বিশ্বের ৬০টি দেশের (ইউরোপীয় ইউনিয়নকে একটি অর্থনীতি হিসেবে ধরা হয়েছে) বিরুদ্ধে নতুন বাণিজ্যিক পদক্ষেপের প্রস্তাব দিল আমেরিকা। মার্কিন প্রশাসনের প্রস্তাব অনুযায়ী, ভারত-সহ ৫৪টি দেশের আমদানির উপর অতিরিক্ত ১২.৫ শতাংশ শুল্ক বসানো হতে পারে।
ভারত-সহ বিশ্বের ৬০টি দেশের (ইউরোপীয় ইউনিয়নকে একটি অর্থনীতি হিসেবে ধরা হয়েছে) বিরুদ্ধে নতুন বাণিজ্যিক পদক্ষেপের প্রস্তাব দিল আমেরিকা। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দফতর (USTR) অভিযোগ করেছে, এই দেশগুলি জোরপূর্বক শ্রম বা ‘ফোর্সড লেবার’-এ তৈরি পণ্যের আমদানি রোধে পর্যাপ্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট দেশগুলির পণ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব সামনে আনা হয়েছে।

কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মেক্সিকো, ব্রিটেন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া-সহ কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত নয় এবং তা নিয়ে জনমত ও শুনানির প্রক্রিয়া চলবে। অপরদিকে মার্কিন প্রশাসনের প্রস্তাব অনুযায়ী, ভারত-সহ ৫৪টি দেশের আমদানির উপর অতিরিক্ত ১২.৫ শতাংশ শুল্ক বসানো হতে পারে।
এই পদক্ষেপের ভিত্তি হল মার্কিন বাণিজ্য আইনের ৩০১ নং ধারা। এই ধারার আওতায় তদন্ত করে USTR দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলি তাদের বাজারে জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য প্রবেশ রোধে যথেষ্ট কঠোরতা দেখাতে পারেনি। মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য, এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যায্য প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে এবং আমেরিকার ব্যবসা ও শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই প্রস্তাব এমন সময় সামনে এল যখন ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়াল সম্প্রতি জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির বড় অংশ নিয়ে ইতিমধ্যেই ঐকমত্য তৈরি হয়েছে এবং বাকি বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ভারতের ক্ষেত্রে USTR-এর অভিযোগ, দেশটি জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে পারেনি। যদিও এ বিষয়ে ভারত সরকারের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি। প্রস্তাবিত শুল্ক কার্যকর হলে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যের উপর তার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


