Indian Army Chief: জঙ্গিদের নমাজ পড়ার সময় হামলা চালাব না বলে ঠিক করা হয়, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বললেন ভারতীয় সেনাপ্রধান
Indian Army Chief: অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত এমন একটা সময় আক্রমণ চালিয়েছিল, যখন জঙ্গি শিবিরে নমাজ পড়া হচ্ছিল না। জানালেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।
Indian Army Chief: অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত এমন একটা সময় আক্রমণ চালিয়েছিল, যখন জঙ্গি শিবিরে নমাজ পড়া হচ্ছিল না। জানালেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমাদের যখন (জঙ্গি শিবির) ধ্বংস করতে হত, তখন সময়টা রাত দুটো, ভোর চারটে বা যে কোনও সময় হতে পারত। কিন্তু আমরা এটা নিশ্চিত করেছিলাম যে জঙ্গি শিবিরে যখন আমাদের বিপক্ষ নমাজ পড়ছে, (তখন আমরা আক্রমণ চালাইনি)। আমরা বলেছিলাম যে ওই সময় আমরা আক্রমণ করব না। কারণ সকলের মালিক একজনই (কারণ ঈশ্বর সকলের)। তাই আমরা এমন একটা সময় বেছে নিয়েছিলাম, যখন আমরা জানতাম যে (নমাজ পড়া হচ্ছে না)।’

অপপ্রচার মোকাবিলা করার উপরে জোর ভারতীয় সেনার
তারইমধ্যে ‘রণ সংবাদ’ মঞ্চে ভারতের সেনাপ্রধান বলেন, ‘বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমন্বিত পদক্ষেপের দিকে ভারতের অগ্রগতির সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম অপারেশন সিঁদুর ছিল। কিন্তু আমাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রের একীকরণ এবং সমন্বয়ের লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।’ সেনাপ্রধান 'অপারেশন সিঁদুর'-র পরে গঠিত যুদ্ধ তথ্য সংগঠন এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রতিরক্ষা বিভাগ সম্পর্কেও জানান। তিনি বলেন, 'আমাদের প্রচেষ্টার ১৫ শতাংশ অপপ্রচার অভিযানের মোকাবিলার উপর কেন্দ্রীভূত ছিল।'
'হাইব্রিড বা গ্রে-জোন' যুদ্ধ নিয়ে কী বললেন সেনাপ্রধান?
তবে, তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে প্রধান চ্যালেঞ্জগুলি এখনও রয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে কৌশলগত, পরিচালনগত এবং রণকৌশলগত স্তরে অভিযানগুলিতে সমন্বয় স্থাপন এবং 'হাইব্রিড বা গ্রে-জোন' যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে। তিনি বলেন, 'এগুলি সাধারণত প্রচলিত সামরিক সীমার নীচে থাকে, যার উদ্দেশ্য শত্রুর দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া।'
সেনাপ্রধান জানান, আধুনিক যুদ্ধ এখন কেবল ভৌগোলিক সীমা বা কোনও একটি সেনাবাহিনীর আধিপত্য পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নেই। বরং এটি বিভিন্ন ক্ষেত্র, অংশীদার এবং সংঘাতের বিভিন্ন স্তরের মধ্যে ক্রমাগত পারস্পরিক সমন্বয়ের দ্বারা সংজ্ঞায়িত হয়। যুদ্ধক্ষেত্রে হওয়া পরিবর্তন সম্পর্কে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন যে মাল্টি ডোমেন অপারেশনসের (এমডিও) কারণে যুদ্ধের প্রকৃতি এমন হয়ে গিয়েছে, যেখানে বিভিন্ন স্তর এবং দিকে একযোগে অপারেশন চলে। তিনি জোর দেন যে কমান্ডারদের কৌশলগত থেকে রণকৌশলগত স্তর পর্যন্ত, বিভিন্ন ক্ষেত্রের পরিস্থিতির তথ্য তৈরি করতে হবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


