Jannat Bishnoi beside Rahul Gandhi: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি কলেজের ছাত্রী, রাহুলের সঙ্গে ট্রাকে ওঠা এই অনামী তরুণী কে?

Jannat Bishnoi beside Rahul Gandhi: এসআইআর বিরোধী যে আন্দোলন চলছে দিল্লিতে, সেইসময় একাধিক অনামী ‘মুখ’ উঠে এসেছেন। তেমনই এক তরুণী নজর কেড়ে নিয়েছেন রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে মিছিলের সময়।

Published on: Oct 13, 2026, 07:59:17 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Jannat Bishnoi beside Rahul Gandhi: দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমার-বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম ‘মুখ’ হয়ে উঠেছেন নেহা বোরা। যিনি লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আন্দোলন করছেন দিল্লির রাস্তায়। আর তারইমধ্যে অনেকের নজর কেড়ে নিয়েছেন আরও এক তরুণী। সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে মিছিলের সময় রাহুলের সঙ্গে যখন নেহা এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা, সেইসময় ‘লাইমলাইটে’ উঠে এসেছেন ওই তরুণী জন্নত বিষ্ণোই। রাহুলের সঙ্গে ট্রাকে চড়ে তাঁকে স্লোগান দিতেও দেখা যায়।

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে জন্নত বিষ্ণোই। (ছবি সৌজন্যে কংগ্রেস)
রাহুল গান্ধীর সঙ্গে জন্নত বিষ্ণোই। (ছবি সৌজন্যে কংগ্রেস)

রাহুলের পাশে থাকা জন্নত বিষ্ণোই আদতে কে?

১) জন্নত আদতে রাজস্থানের মেয়ে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি কলেজ ফর উইমেনের বিএ দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া।

২) দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয় জন্নত। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলর। ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের সুরক্ষা নিয়েও আন্দোলন করেছেন। সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর পাশাপাশি পিঙ্ক বুথেরও দাবিতে সরব হয়েছেন।

৩) পাশাপাশি কংগ্রেসের যুব সংগঠন ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়ার (এনএসইউআই) সদস্য।

৪) দিল্লিতে পড়ুয়া বিক্ষোভেও সামিল হয়েছেন জন্নত। দিল্লি কালকাজিতে এক নাবালিকার ধর্ষণের পরে দিল্লি-এনসিআরে যে বিক্ষোভ হয়েছিল, তাতেও যোগ দিয়েছিলেন। সেইসময় একদল মহিলার নেতৃত্বে ছিলেন। তাঁর হাতে ছিল 'পিতৃতন্ত্র গুঁড়িয়ে দাও'-র মতো ব্যানার। স্লোগান তোলেন 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস'।

৫) পরিবেশ সংক্রান্ত আন্দোলনেও যোগ দিয়েছেন জন্নত। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজস্থান গাছ রক্ষা বিল নিয়ে কর্মসূচিতে সামিল হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: Indian Army Bharat Rice: সেনা জওয়ানদের জন্য উন্নত মানের ‘ভারত রাইস’ চালু! লাদাখ-সহ দুর্গম সীমান্তেও যাবে

‘জেন-জি’ আন্দোলনের ‘মুখ’ নেহা বোরার সঙ্গে বাংলার যোগ

আর জন্নতের মতোই রাহুলের সঙ্গে ছিলেন নেহা। যিনি ‘জেন-জি’ আন্দোলনের ‘মুখ’ হয়ে উঠেছেন। তাঁর সঙ্গে আবার পশ্চিমবঙ্গের যোগ রয়েছেন। তাঁর পড়াশোনার একটা বড় অংশ কেটেছে শিলিগুড়িতে। যিনি আদতে উত্তরাখণ্ডের খতিমার মেয়ে। তবে তাঁর বাবা ভারতীয় সেনায় কর্মরত থাকায় ছোটোবেলা কেটেছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। সেই রেশ ধরে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পড়াশোনা করেছেন শিলিগুড়ি থেকে।

আরও পড়ুন: SC on INDIA Bloc's Petition: '২২০ টাকা কম' দেওয়া হয়েছে, SIR নিয়ে রাহুলদের পিটিশনে ১৪ 'গলদ' পেল সুপ্রিম কোর্ট

'পশ্চিমবঙ্গ না এলে চারু মজুমদারকে জানতে পারতাম না হয়তো'

পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য দিল্লিতে পাড়ি দিলেও নেহা জানিয়েছেন, বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে তাঁর যোগসূত্র শিলিগুড়ি থেকেই গড়ে উঠেছিল। দক্ষিণপন্থা থেকে দূরত্ব তৈরির বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গের মাটি থেকেই শিখেছিলেন বলে দাবি করেন নেহা। তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে না এলে কখনও হয়তো চারু মজুমদারের নাম শোনা হত না। হয়তো জেনে ওঠা হয়ে উঠত না অরুন্ধতী রায়কে।

আরও পড়ুন: Anti-submarine INS Mangrol: সাবমেরিন 'হান্টার' জুড়ল ভারতীয় নৌসেনায়! ধারে ঘেঁষলেই টর্পেডো দিয়ে করবে ‘স্বাগত’

তবে নেহা জানিয়েছেন, দক্ষিণপন্থার সঙ্গে দূরত্ব পশ্চিমবঙ্গ তৈরি হলেও বামপন্থীর প্রতি ভালোবাসা অনেক পরে জন্মেছে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক স্তরের পড়াশোনার সময় একটি থিয়েটার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। সেইসময় সাধারণ মানুষের জীবন আরও কাছ থেকে দেখেছিলেন বলে দাবি করেছেন নেহা।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More