Wipro Religious Conversion Controversy: টিসিএসের পর উইপ্রো, অফিসে ধর্মান্তরণের চাপের অভিযোগ প্রাক্তন মহিলা কর্মীর
অভিযোগকারী ওই প্রাক্তন কর্মীর দাবি, কর্মস্থলে তাঁকে ধর্মীয় কারণে হেনস্থা করা হয়েছে এবং ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের জেরে তিনি চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন।
পুণের একটি উইপ্রো অফিসের প্রাক্তন মহিলা কর্মীর অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগকারী ওই প্রাক্তন কর্মীর দাবি, কর্মস্থলে তাঁকে ধর্মীয় কারণে হেনস্থা করা হয়েছে এবং ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের জেরে তিনি চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পাশাপাশি রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
অভিযোগে ওই মহিলা জানিয়েছেন, তাঁর এক মহিলা ঊর্ধ্বতন আধিকারিক বারবার ধর্মান্তরণের জন্য চাপ দিতেন এবং কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরণ করতেন। তাঁর অভিযোগ, বিষয়টি সংস্থার মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগকে জানানো হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত তিনি চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন।
এদিকে অভিযোগ সামনে আসার পর বিবৃতি দিয়েছে উইপ্রো। সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে এবং পুণে পুলিশের কাছে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে আইন অনুযায়ী তদন্ত চলছে বলেও জানানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগকারীর বক্তব্য, সংস্থার অভ্যন্তরীণ নথি এবং অন্যান্য তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত অভিযোগের সত্যতা নিয়ে তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে মহারাষ্ট্রের কর্পোরেট ক্ষেত্রে ধর্মীয় হেনস্থা ও ধর্মান্তরণের অভিযোগ নিয়ে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। গত মাসের শুরুর দিকে নাসিকের টিসিএসেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল। ম্যানেজার নিদা খান-সহ বেশ কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন, মানসিক হেনস্তা এবং ধর্মান্তরণের অভিযোগ ছিল। নিদার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি একটি চক্রের হয়ে ‘কর্পোরেট জেহাদ’-এর কাজ করতেন। সংস্থার মহিলা কর্মীদের জোর করে ধর্মান্তরণের চেষ্টা করতেন বলে অভিযোগ ওঠে। খানিকটা একই অভিযোগ এনেছেন উইপ্রোর পুণে অফিসের ওই প্রাক্তন কর্মী। তবে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, বারবার এই তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলির অন্দরে এমন ঘটনা কেন এবং কীভাবে ঘটছে?
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


