Pak armed group threat to PSL players: 'PSL খেলবেন না, কিছু হয়ে গেলে আমাদের দায় নয়', স্মিথদের হুমকি পাক সশস্ত্র গোষ্ঠীর
পাকিস্তানে হুমকি ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভ স্মিথ-সহ খেলোয়াড়দের! সশস্ত্র গোষ্ঠীর চরম বার্তা দিয়েছে। ওই সংগঠনের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে খেলোয়াড়রা যেন নাম প্রত্যাহার করে নেন পিএসএল থেকে। নাহলে তাঁদের কিছু হলে ওই সংগঠনের কোনও দায় থাকবে না।
পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) নিয়ে আবারও ঘনীভূত হচ্ছে কালো মেঘ। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই বিশ্ববিখ্যাত ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার দুই প্রাক্তন অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথ-সহ কয়েকজন বিদেশি তারকাকে পাকিস্তান ছাড়ার জন্য সরাসরি হুমকি দিয়েছে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। এই ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বিদেশি ক্রিকেটারদের মনে। যদিও বিষয়টি নিয়ে আপাতত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

বালোচিস্তানে নরসংহার চালাচ্ছে পাকিস্তান সরকার, দাবি সশস্ত্র গোষ্ঠীর
রিপোর্ট উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (জামাত-উল-আহরার) নামে একটি সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে যে পাকিস্তান সরকার এবং পাকিস্তানি সেনার অত্যাচারের শিকার হচ্ছেন খাইবার পাখতুনখাওয়া এবং বালোচিস্তানের মানুষ। সাধারণ মানুষকে মেরে ফেলছে সরকার। আর খাইবার পাখতুনখাওয়া এবং বালোচিস্তানে যখন পাকিস্তান সরকার নরহিংসা চালাচ্ছে, তখন পিএসএলের মতো টুর্নামেন্ট আয়োজন করে সেখানকার মানুষদের সঙ্গে উপহাস করা হচ্ছে।
PSL থেকে নাম তুলুন, বিদেশি-সহ সব খেলোয়াড়দের আর্জি
সেই পরিস্থিতিতে বিদেশি-সহ সমস্ত খেলোয়াড়দের 'পরামর্শ' দেওয়া হয়েছে ওই সংগঠনের তরফে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে যে এখন পাকিস্তানের যা পরিস্থিতি, নিরাপত্তার যা হাল, তাতে খেলোয়াড়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাবে না। সেই পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়রা যেন পিএসএল থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন। দেশের একপ্রান্তে অত্যাচার, নরসংহার চালিয়ে পাকিস্তান সরকার অপর প্রান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখানোর চেষ্টা করছে।
‘পাকিস্তানে বিদেশি খেলোয়াড়দের না পাঠানোর পরামর্শ’ সশস্ত্র গোষ্ঠীর
সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই সংগঠনের কমান্ডার বলেছেন যে ‘আমরা সংশ্লিষ্ট ক্রিকেট বোর্ডগুলোকে তাদের খেলোয়াড়দের পাকিস্তানে না পাঠানোর পরামর্শ দিচ্ছি। তাঁদের কিছু হয়ে গেলে দায় আমাদের থাকবে না। আমরা ইতিমধ্যেই আমাদের সতর্কবার্তা জারি করেছি।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, 'আমাদের সাধ্যমতো আমরা সবকিছু করব, কিন্তু ম্যাচ হতে দেব না। টুর্নামেন্টটি যাতে ব্যাহত হয় এবং খেলোয়াড়রা মাঠে নামতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করব।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


