...
...
Next Story

এসে গেল সেই বিখ্যাত গজকেশরী যোগ, জ্যোতিষশাস্ত্রের সবচেয়ে শুভ সময়! ৭ দিন পর থেকে ঝলমল করে উঠবে ৩ রাশির ভাগ্যের আকাশ

গজ অর্থাৎ হাতি এবং কেশরী অর্থাৎ সিংহ—এই যোগটি জাতককে হাতির মতো ঐশ্বর্য এবং সিংহের মতো তেজ ও আধিপত্য প্রদান করে।

Published on: Feb 18, 2026, 15:40:14 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

চলতি মাসের শেষ ভাগ অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি মাসের শেষভাগে মহাকাশে এক অত্যন্ত শক্তিশালী ও শুভ রাজযোগ তৈরি হতে চলেছে। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, চন্দ্র এবং বৃহস্পতির মিলনে গঠিত হবে বিখ্যাত 'গজকেশরী রাজযোগ'। জ্যোতিষশাস্ত্রে এই যোগটিকে সবথেকে শুভ এবং ফলদায়ক বলে মনে করা হয়।

এসে গেল সেই বিখ্যাত গজকেশরী যোগ! ৭ দিন পর থেকে ঝলমল করে উঠবে ৩ রাশির ভাগ্য
এসে গেল সেই বিখ্যাত গজকেশরী যোগ! ৭ দিন পর থেকে ঝলমল করে উঠবে ৩ রাশির ভাগ্য

বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, যখন কোনো জাতকের কোষ্ঠীতে বা গোচরে বৃহস্পতি এবং চন্দ্র একে অপরের থেকে কেন্দ্র স্থানে (১ম, ৪র্থ, ৭ম বা ১০ম ভাবে) অবস্থান করে অথবা যূতি বা মিলন ঘটায়, তখন 'গজকেশরী রাজযোগ' সৃষ্টি হয়। গজ অর্থাৎ হাতি এবং কেশরী অর্থাৎ সিংহ—এই যোগটি জাতককে হাতির মতো ঐশ্বর্য এবং সিংহের মতো তেজ ও আধিপত্য প্রদান করে।

২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি চন্দ্র যখন মিথুন রাশিতে অবস্থানরত বৃহস্পতির সংস্পর্শে আসবে, তখন এই বিশেষ যোগটি সক্রিয় হবে। এই রাজযোগের প্রভাবে মূলত ৩টি রাশির জাতক-জাতিকা রাজকীয় সম্মান ও অভাবনীয় সাফল্যের মুখ দেখবেন।

১. মিথুন রাশি (Gemini): আত্মবিশ্বাস ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি

মিথুন রাশিতেই এই রাজযোগ তৈরি হতে চলেছে, তাই এই রাশির জাতকরা সবথেকে বেশি লাভবান হবেন।

  • কেরিয়ার: যারা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির অপেক্ষা করছেন, তাদের জন্য ২৫ ফেব্রুয়ারির পর সময়টি অত্যন্ত অনুকূল। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন।
  • ব্যক্তিগত: আপনার আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে যাবে। সামাজিক কাজে আপনার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে। অবিবাহিতদের বিয়ের কথা এগোতে পারে।

সিংহ রাশির জাতকদের জন্য এই রাজযোগ একাদশ ভাবে (আয় ও লাভের স্থান) প্রভাব ফেলবে।

  • আর্থিক: পুরনো কোনো বিনিয়োগ থেকে হঠাত বড় অংকের টাকা ফেরত আসতে পারে। লটারি বা শেয়ার বাজার থেকেও লাভের যোগ রয়েছে।
  • সম্পর্ক: বড় ভাই বা বন্ধুদের থেকে বিশেষ সাহায্য পেতে পারেন। আপনার প্রতিটি আটকে থাকা কাজ এই সময়ে সম্পন্ন হবে।

৩. তুলা রাশি (Libra): ভাগ্যের পূর্ণ সমর্থন ও জয়লাভ

তুলা রাশির জাতকদের জন্য গজকেশরী যোগ নবম ভাবে (ভাগ্যের স্থান) গঠিত হবে।

  • সাফল্য: ভাগ্যের চাকা আপনার অনুকূলে ঘুরবে। আপনি যদি কোনো আইনি জটিলতায় জড়িয়ে থাকেন, তবে এই সময়ে ফয়সালা আপনার পক্ষে আসতে পারে।
  • ভ্রমণ: উচ্চশিক্ষার জন্য বা ব্যবসার খাতিরে বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। ধর্মীয় কাজে মন দিলে শান্তি ও সমৃদ্ধি বাড়বে।

গজকেশরী রাজযোগের বিশেষ গুরুত্ব

জ্যোতিষীদের মতে, এই যোগ কেবল অর্থই দেয় না, বরং মানসিক শান্তি ও বুদ্ধিমত্তাও প্রদান করে। যেহেতু বৃহস্পতি হলো জ্ঞানের কারক এবং চন্দ্র হলো মনের অধিপতি, তাই এই দুইয়ের মিলনে জাতক সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়। ২০২৬ সালের এই রাজযোগটি বিশেষ করে সেই সব মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যারা শিক্ষা, ধর্ম বা বাণিজ্যের সাথে যুক্ত।

শুভ ফল বাড়ানোর উপায়

এই রাজযোগের পূর্ণ সুফল পেতে ২৫ ফেব্রুয়ারি নিচের কাজগুলো করতে পারেন:

  • শিবলিঙ্গে দুধ দিয়ে অভিষেক করুন।
  • বড়দের ও গুরুজনদের আশীর্বাদ নিন।
  • হলুদ রঙের মিষ্টি বা বস্ত্র অভাবী কাউকে দান করুন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe