প্রতিবছর ১ জানুয়ারি পালিত হয় কল্পতরু উৎসব। এই বিশেষ দিনেই শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব কল্পতরু হয়েছিলেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, কি এই কল্পতরু? কেনই বা এই দিন ঠাকুর নিজের অবতার রূপে সকলের কাছে ধরা দিয়েছিলেন? কেন বছরের পর বছর এই দিনেই মানুষ পুজো দিতে ভিড় করেন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে?

প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই কল্পতরু হলো এমন একটি বিশেষ বৃক্ষ, যার কাছে কিছু চাইলে তিনি ফিরিয়ে দেন না। কল্প কথার অর্থ হলো ইচ্ছে এবং তরু কথার অর্থ হলো বৃক্ষ। অর্থাৎ যে গাছের কাছে আপনি নিজের মন কামনা জানালে সেটি পূরণ হয়ে যায় তাকেই বলা হয় কল্পতরু।
( Mangal Gochar: মঙ্গলের গোচরে পদোন্নতি, বিদেশ ভ্রমণ! আগামী দিনে কপাল খুলবে কাদের?)
পুরান মতে, স্বর্গের নন্দন কাননে পারিজাত বৃক্ষ নামে একটি বিশেষ বৃক্ষ রয়েছে, যাকে কল্পতরু বলা হয়। সমুদ্র মন্থনের সময় সমুদ্র থেকে শুধু লক্ষ্মী দেবী, অমৃত, ঐরাবত, কৌস্তুভ মুনি নন, উঠে এসেছিল এই বৃক্ষটিও। এটি পরবর্তীকালে দেবরাজ ইন্দ্রের নন্দন কাননে স্থান পেয়েছিল, সেই নন্দনকানন থেকেই শ্রীকৃষ্ণ এই গাছটি মর্ত্যে নিয়ে এসেছিলেন স্ত্রীর মন রাখার জন্য।
অন্যদিকে ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব কাশিপুরের উদ্যানবাটিতে ভক্তদের নারায়ণ রূপে দর্শন দিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। যেহেতু ১ জানুয়ারি রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব অবতার রূপে সকলকে দেখা দিয়েছিলেন তাই ওই দিনটি কল্পতরু উৎসব হিসেবে পালন করা হয়।
{{/usCountry}}অন্যদিকে ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব কাশিপুরের উদ্যানবাটিতে ভক্তদের নারায়ণ রূপে দর্শন দিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। যেহেতু ১ জানুয়ারি রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব অবতার রূপে সকলকে দেখা দিয়েছিলেন তাই ওই দিনটি কল্পতরু উৎসব হিসেবে পালন করা হয়।
{{/usCountry}}( Shastra Tips: বজরংবলীকে কোন ধরনের প্রদীপ দিয়ে পুজো করা শুভ? রইল কিছু টিপস)
পরবর্তীকালে শ্রীরামকৃষ্ণ এবং বিবেকানন্দের ভক্তরা বিশেষ কিছু আচার নিয়ম মেনে দিনটি পালন করে থাকেন। এই বিশেষ দিনে শুধু দক্ষিণেশ্বর নয়, কালিবাড়ি এবং বেলুড় মঠে শত শত ভক্তরা ভিড় জমান। ঠাকুরকে স্মরণ করে নতুন বছরের সূচনা করেন অগণিত ভক্তরা।