Vastu Tips: জুতোর খারাপ হাল কি ডেকে আনছে সর্বনাশ? বাস্তুশাস্ত্র টিপস রইল
জুতো নিয়ে এই বাস্তুটিপসগুলি দেখে নিন।
নিত্যদিনের ব্যস্ততায় অনেক সময়ই জুতোর দিকে নজর দেওয়ার সময় পান না অনেকেই। অনেক সময়ই জুতোর অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। এই জুতো নিয়েও রয়েছে কিছু বাস্তুশাস্ত্রমত। বাস্তুশাস্ত্রমত অনুসারে দেখে নিন জুতো নিয়ে কি কি টিপস দিচ্ছে শাস্ত্র। রইল জুতো নিয়ে বাস্তুশাস্ত্রমত। বাস্তুশাস্ত্র মতে ছেঁড়া জুতা পরা অশুভ বলে মনে করা হয়। বাস্তু অনুসারে, এটি নেতিবাচক শক্তি এবং ভাগ্যে বাধা নিয়ে আসে, যার কারণে জীবনে সমস্যা বৃদ্ধি পায় এবং একজন ব্যক্তিকে বিভিন্ন ধরণের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, আপনিও যদি ছেঁড়া জুতা পরার ভুল করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই বাস্তুর এই বিশেষ নিয়মগুলি জেনে নিন।

( Vastu Shastra Tips: বাড়িতে কচ্ছপের মূর্তি আছে? রাখার জন্য কোনটি সঠিক দিক জানেন? রইল বাস্তুটিপস)
( Lucky Zodiac Signs: সূর্য একা নন! সঙ্গে বুধ, শুক্রকে নিয়ে কপাল খুলবেন একঝাঁক রাশির, লাকি কারা?)
( Poush Amavasya 2025: পৌষ অমাবস্যা ২০২৫-র তিথি কবে পড়েছে? দেখে নিন তারিখ)
বাস্তুশাস্ত্রমতে বলা হচ্ছে, কেউ চাকরির খোঁজে থাকে অথবা খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজে বের হন, আর তিনি জীর্ণ, ছেঁড়া এবং নোংরা জুতা পরেন, তাহলে তাঁর সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা হলেও কমতে পারে, এমনই মত বাস্তুশাস্ত্রের। ফলত, সেই দিক থেকে বিষয়টির দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তুশাস্ত্রবিদরা। ছেঁড়া বা নোংরা জুতো রাশিফলের শনি, রাহু এবং কেতুর অবস্থানকেও প্রভাবিত করতে পারে। ফলত সেই দিক থেকে ভাগ্যে সুফল আসার রাস্তায় পড়ে বাধা। এছাড়াও বলা হচ্ছে, ছেঁড়া জুতো বা নোংরা জুতো আত্মবিশ্বাসেও প্রভাব ফেলে। যা আর্থিক উন্নতির ক্ষেত্রে খুব একটা সুখবর বার্তা নয়। এছাড়াও বলা হচ্ছে, জুতো উপহার হিসাবে দেওয়া উচিত নয়। আবার ছেঁড়া জুতো অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় খরচকে বাড়িয়ে দেয়। এমনই নানান মান্যতা রয়েছে জুতোকে কেন্দ্র করে।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


