...
...
Next Story

Kalyan on Abhishek emotional appeal: 'ছেলের ভুল মাফ করাই বাবার কর্তব্য….', অভিষেক ইমোশনাল কথা বলতেই গলে গেলেন কল্যাণ

Kalyan on Abhishek emotional appeal: 'ছেলের ভুল মাফ করাই বাবার কর্তব্য….', অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইমোশনাল কথা বলতেই গলে গেলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার অভিষেকের বিরুদ্ধে কল্যাণ মুখ খোলেন। তারপর ইমোশনাল বার্তা দেন অভিষেক।

Published on: Jun 13, 2026, 14:59:21 IST
Advertisement

Kalyan on Abhishek emotional appeal: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইমোশনাল’ কথায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সব রাগ ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গেল। অত্যন্ত তেমনটাই দাবি করলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। দু'দিন আগেই শনিবার সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের সাক্ষাৎকারে কল্যাণ বলেন, ‘কাল তো ও বলে দিয়েছে। সেটার পরে তো আর কিছু বলার নেই। যা বলার দরকার, সেটা ও বলে দিয়েছে। তো আমিও বলে দিচ্ছি, ও (অভিষেক) আমার ছেলের মতো। ছেলের সব ভুল মাফ করে দেওয়াই তো বাবার কর্তব্য।’

অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেন কল্যাণ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইমোশনাল কথা বলতেই গলে গেলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি)
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইমোশনাল কথা বলতেই গলে গেলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি)

আর কল্যাণ সেই মন্তব্য করেছেন অভিষেকের বার্তার পরে। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে বিধানসভার সই জালিয়াতি কাণ্ড মামলা ছেড়ে দিয়ে কল্যাণ দাবি করেন, অভিষেক ঔদ্ধত্য চরমে উঠেছে। তাঁর জন্যই ‘চোর-চোর’ স্লোগান শুনতে হচ্ছে। এমনকী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে বলেন যে তাঁকে বা অভিষেকের মধ্যে থেকে কাউকে বেছে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee PA Sumit Roy: পুলিশ আসতে ৪ ঘণ্টা দরজা খোলেনি অভিষেকরা, সরকারি জমি নিয়ে 'দুর্নীতি' আপ্ত-সহায়কের

অভিষেকের ‘ইমোশনাল’ বার্তা

কল্যাণের সেই বার্তার পরে প্রশ্ন উঠতে থাকে যে এবার বিদ্রোহী শিবিরে কি নাম লেখাবেন শ্রীরামপুরের সাংসদ? সেই জল্পনার মধ্যেই শুক্রবার অভিষেক বলেন, ‘যে শীর্ষ নেতারা আমায় নিয়ে কথা বলছেন, আমি বলছি, দলে আলোচনার জায়গা রয়েছে। উল্লেখ করে বলতে পারেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আমায় নিয়ে কথা বলেছেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকার রয়েছে আমায় নিয়ে কথা বলার। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকার রয়েছে আমায় নিয়ে চারটে কটূ কথা বলার। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আমায় মানুষ করেছেন, ছোটো থেকে বড় হতে দেখেছেন। আমি এই কথাগুলো খারাপভাবে নিই না। ওঁর হয়তো একটা ঘটনা খারাপ লেগেছে, উনি বলেছেন। আমার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও ব্যক্তিগত ক্রোধ, ক্ষোভ নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, আগামিদিনেও করব।’

অভিষেকের সেই বার্তার পরই কল্যাণের সমস্ত অভিমান ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গিয়েছে। বরং একসঙ্গে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন। শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ বলেন, ‘ব্যাপারটা হল যে যাই হোক না কেন, আমাদের এখন একসঙ্গে হাতে হাতে মিলিয়ে লড়াই করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের গণতন্ত্র এখন বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র এখন বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। পশ্চিমবঙ্গে কখনও এরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়নি যে বিরোধীদের পুরো সাফ করে দেওয়া হবে। এই মুখ্যমন্ত্রী প্রতিহিংসাপরায়ণ। ওঁর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। গণতন্ত্রে, সংসদে, বিধানসভায় শাসক দল এবং বিরোধীদের জায়গা আছে। বিজেপি বিরোধীদের জায়গা খেয়ে নিতে যায়।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe