...
...
Next Story

Mid Day Meal Additional Egg: স্কুল পড়ুয়াদের বাড়তি ১২টি গোটা ডিম দিতে হবে! মিড ডে মিলে বড় নির্দেশ রাজ্যের

মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় বাড়তি ডিম বরাদ্দ করা হল। জেলাশাসক এবং মহকুমা শাসকদের চিঠি দিয়ে স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৮১,১৯,৪১৫ জন পড়ুয়াকে সেই ১২টি অতিরিক্ত গোটা ডিম দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য।

Published on: Feb 17, 2026, 16:22:57 IST
Advertisement

মিড ডে মিলে অতিরিক্ত ১২টি ডিম বরাদ্দের নির্দেশ দিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জেলাশাসক এবং মহকুমা শাসকদের চিঠি দিয়ে স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় পড়ুয়ারা যাতে বাড়তি পুষ্টি পায়, সেজন্য অতিরিক্ত ডিম বা মরশুমি ফল দিতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। ১২ দিনের জন্য ৮১,১৯,৪১৫ জন পড়ুয়াকে একটি ডিম বা মরশুমি ফল দিতে হবে। সেজন্য মাথাপিছু বরাদ্দ করা হয়েছে আট টাকা। সেই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলাশাসক এবং মহকুমা শাসককে মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় একটি গোটা ডিম (প্রতি সপ্তাহে একটি ডিম প্রদানের পাশাপাশি) বরাদ্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে। বেঁধে দেওয়া হয়েছে সময়সীমাও। আগামী ৩১ মার্চের (চলতি অর্থবর্ষে ২০২৫-২৬ শেষ হওয়ার মধ্যেই) মধ্যে সেই পদক্ষেপ করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের স্কুলশিক্ষা দফতরের মিড ডে মিল কর্মসূচির প্রজেক্ট ডিরেক্টর।

পড়ে থাকা অর্থ দিয়ে বাড়তি ডিম দিতে হবে

মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় বাড়তি ডিম বরাদ্দ করা হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এএফপি)
মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় বাড়তি ডিম বরাদ্দ করা হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এএফপি)

স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, মিড ডে মিল প্রকল্পের জন্য সারা বছর জেলার স্কুলগুলিতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়, সেখান থেকে যে পরিমাণ টাকা এখনও খরচ করা হয়নি, তা দিয়েই অতিরিক্ত ডিম দিতে হবে। যা পাবে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ৮১ লাখের বেশি পড়ুয়া।

আরও পড়ুন: Panskura-Digha-Asansol-Haldia Trains: পাঁশকুড়া-দিঘা লোকালের মেয়াদ বাড়ল, হলদিয়া ও দিঘার অপর ট্রেন নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত

সারা বছর এরকম করতে হবে, বার্তা শিক্ষক মহলের

আর সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে শিক্ষক মহল। বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষক সংগঠন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেছেন, ‘খুব ভালো পদক্ষেপ। তবে সার্বিকভাবে মিড ডে মিলের মান বাড়াতে সারা বছরের জন্য এই বরাদ্দ বাড়ানো দরকার।’

যদিও এই প্রথম এরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হল না। আগেও এরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। একটি মহলের তরফে অবশ্য প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে এতদিন পরে রাজ্য সরকারের পড়ুয়াদের অতিরিক্ত পুষ্টির কথা মনে পড়ল? তবে সে বিষয়ে নবান্ন বা বিকাশ ভবনের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

আরও পড়ুন: Kolkata-Varanasi Expressway Update: বাংলার ৩ জেলায় এলিভেটেড করিডর হচ্ছে! এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে গতি না কমিয়েই ছুটবে গাড়ি

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe