Port Hockey Championship 2026: স্টিকের লড়াই কলকাতায়! সেরা পোর্ট হবে কলকাতা? শুরু চ্যাম্পিয়নশিপ, কারা কারা আছে?
৪৭ তম সর্বভারতীয় মেজর পোর্ট হকি চ্যাম্পিয়নশিপের সূচনা হল। চার দিনের এই লড়াই শেষে আগামী ২৭ মার্চ জানা যাবে ২০২৬ সালের সেরা পোর্টের নাম। খেলছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের (কলকাতা বন্দর) দলও।
কলকাতায় হকি স্টিকের লড়াই। সল্টলেকের সাই হকি গ্রাউন্ডে মঙ্গলবার থেকে শুরু হল ৪৭ তম সর্বভারতীয় মেজর পোর্ট হকি চ্যাম্পিয়নশিপ। চার দিনের এই হকি মহাযজ্ঞের উদ্বোধন ঘিরে এদিন সল্টলেক চত্বরে ছিল সাজ-সাজ রব। আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত চলবে দেশের প্রধান বন্দরগুলির মধ্যে এই মর্যাদাপূর্ণ লড়াই। আজ সকালে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর (কলকাতা বন্দর) কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রথেন্দ্র রমন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সচিব চন্দন চট্টোপাধ্যায়, চিফ ইঞ্জিনিয়ার শান্তনু মিত্র, এফএ অ্যান্ড সিএও প্রতাপ লালা এবং সিএমও দীপক দত্তরা।

উদ্বোধনী ভাষণে কলকাতা বন্দরের চেয়ারম্যান বলেন, ‘টানা দ্বিতীয় বছর এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। এই ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র খেলোয়াড়দের শারীরিক দক্ষতাই বাড়ায় না, বরং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বন্দর সংস্থাগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।’
লড়াইয়ে নামছে দেশের সেরা ৬টি বন্দর
১) শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর (কলকাতা)
২) মুম্বই পোর্ট অথরিটি (MBPA)
৩) পারাদীপ পোর্ট অথরিটি (PPA)
৪) চেন্নাই পোর্ট অথরিটি (CHPA)
৫) ভি.ও. চিদম্বরনার পোর্ট (তুতিকোরিন)
৬) বিশাখাপত্তনম পোর্ট অথরিটি (VPA)
এই হকি চ্যাম্পিয়নশিপের বিষয়ে স্পোর্টস অফিসার সুহাস ভট্টাচার্য জানান, জাতীয় স্তরের এই চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করা যেমন সম্মানের, তেমনি দেশের সেরা হকি প্রতিভাদের এক ছাদের তলায় আনা আনন্দের বিষয়। এটি তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনের এক বিরাট প্ল্যাটফর্ম।
হকিপ্রেমীদের জন্য বড় প্রাপ্তি
কলকাতার ক্রীড়া ইতিহাসে হকির এক গৌরবময় ঐতিহ্য রয়েছে। সাই সেন্টারের অ্যাস্টো-টার্ফে এই ম্যাচগুলি দেখার জন্য হকিপ্ৰেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। অংশগ্রহণকারী দলগুলির মধ্যে আছেন জাতীয় পর্যায়ের একাধিক খেলোয়াড়, যা ম্যাচগুলির গুণগত মান কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। উদ্বোধনী দিনেই খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষা এবং জেতার খিদে বুঝিয়ে দিয়েছে যে, আগামী কয়েকদিন হকির মাঠে গোল-পাল্টা গোলের রোমাঞ্চকর লড়াই দেখতে পাবেন দর্শকরা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


