Barrackpore Metro Latest Update: ব্যারাকপুর মেট্রো ছুটবে এবার! মিলল কাজের ছাড়পত্র, ১২.২ কিমি লাইনে কী কী স্টেশন?
Barrackpore Metro Latest Update: জুলাইয়ের শেষের দিকে নতুন করে গতি পেয়েছিল বরানগর-ব্যারাকপুর মেট্রো প্রকল্প। তাতে আরও গতি এল। কাজের জন্য এনওসি বা নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট দেওয়া হল কলকাতা পুরনিগম কর্তৃপক্ষের তরফে।
Barrackpore Metro Latest Update: বিটি রোডে বরানগর-ব্যারাকপুর মেট্রোর কাজের জন্য নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) দিল কলকাতা পুরনিগম। যে মেট্রো প্রকল্পের ক্ষেত্রে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হল বিটি রোডের নীচে থাকা পলতা জল প্রকল্পের ছ'টি পাইপলাইন। ওই ছ'টি পাইপের ব্যাস হল ৬৪ ইঞ্চি, ৭২ ইঞ্চি, ৬০ ইঞ্চি, ৪২ ইঞ্চি, ৪৮ ইঞ্চি এবং ৬২ ইঞ্চি। পুরনিগম সূত্রের খবর, মেট্রোর কাজের জন্য প্রয়োজনীয় পাইপলাইন সংক্রান্ত কাজের জন্যই এনওসি দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী ধন্যবাদ জানালেন পুরনিগম কর্তৃপক্ষকে
আর সেই এনওসির প্রদানের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘বিটি রোড বরাবর বরানগর-ব্যারাকপুর মেট্রো করিডরের (পিঙ্ক লাইন) জন্য কলকাতা পুরনিগম যে এনওসি দিয়েছে, সেই বিষয়টিকে আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। এটা কলকাতার উত্তর শহরতলিতে দ্রুতগামী গণপরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। এর ফলে যাতায়াতের সময় যেমন অনেকটা কমবে, তেমনই মূল রাস্তাগুলিতে যানজট হ্রাস পাবে এবং যাত্রীরা নিরাপদ ও আধুনিক গণপরিবহণ পরিষেবার সুবিধা পাবেন।’
উপকৃত হবেন প্রচুর মানুষ, আশাবাদী পরিবহণ মন্ত্রী
আবার মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং বলেছেন, ‘ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করার জন্য আমাদের প্রিয় মুখ্যমন্ত্রী মাননীয় শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়কে অসংখ্য ধন্যবাদ। বর্তমান সময়ে মেট্রো পরিষেবা আমাদের জীবনের লাইফলাইন হয়ে উঠেছে। এর ফলে লাখ লাখ মানুষ উপকৃত হবেন । সর্বোপরি বিটি রোডে ব্যাপক যানজট কমবে ও পরিবেশ দূষণ হ্রাস করতে সাহায্য করবে।’
প্রায় সাড়ে ১৬ বছর পরে নড়েছে বরানগর-ব্যারাকপুর মেট্রো
এমনিতে শুভেন্দু সরকার বাংলায় মসনদে বসার আগে প্রায় সাড়ে ১৬ বছর ধরে বরানগর-ব্যারাকপুর মেট্রো প্রকল্প আটকে ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওই পাইপলাইনের সুরাহা করতে রেলমন্ত্রী থাকাকালীন তাঁরই অনুমোদিত প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়নি। তবে শুভেন্দু সরকার আসার পরে নড়তে শুরু করে থমকে থাকা ব্যারাকপুুর মেট্রো। গত মাসেই দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সি রেল বিকাশ নিগম লিমিটেডের (আরভিএনএল) তরফে দরপত্র ডাকা হয়।
মেট্রো সূত্রে খবর, বরানগর থেকে ব্যারাকপুর পর্যন্ত ওই লাইনের দৈর্ঘ্য ১২.২ কিলোমিটার। যাত্রাপথে মোট ১০টি স্টেশন থাকবে - বরানগর, কামারহাটি, আগরপাড়া, পানিহাটি, সোদপুর , খড়দা, টাটা গেট, টিটাগড়, তালপুকুর এবং ব্যারাকপুর। আর মেট্রো পুরোটাই উড়ালপুল দিয়ে যাবে। অর্থাৎ মাথার উপর দিয়ে চলবে মেট্রো। মাটির নীচে প্রবেশ করবে না।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


