Mamata on Suvendu Speech: ‘শুভেন্দু আমায় হুমকি দিয়েছে’, অভিযোগ মমতার, বিচার চাইলেন রাষ্ট্রপতিদের কাছে
Mamata on Suvendu Speech: সরকারি দফতরে বসে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকার আমায় হুমকি দিয়েছেন - দাবি করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রপতিরও দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন।
Mamata on Suvendu Speech: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার রাতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের একাংশের ভিডিয়ো পোস্ট করে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো (কালীঘাট) বলেন, ‘ভারতীয় রাজনীতিতে এক নয়া নীচুস্তর স্পর্শ করল! সরকারি অফিসে বসে আমায় প্রকাশ্যেই নির্লজ্জভাবে হুমকি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন যে আমি যাতে বাড়ি থেকে বেরোতেই না পারি, তা নিশ্চিত করবেন। আমি ভারতের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, ভারতের মহামান্য প্রধান বিচারপতি এবং ভারতের জনগণের কাছে প্রশ্ন রাখছি: আমাদের সংবিধান যে ভারতের স্বপ্ন দেখেছিল, এটি কি সেই ভারত?’

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে আক্রমণ মমতার, পালটা শুভেন্দুর
আর মুখ্যমন্ত্রীর যে মন্তব্যকে হুমকি হিসেবে দাবি করেছেন মমতা, তা নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে করেন শুভেন্দু। সোমবার বিকেলে ফেসবুক লাইভ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা অভিযোগ করেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে প্রতিশ্রুতি পালন করছে না বিজেপি সরকার। সেইসঙ্গে আরও অভিযোগ করেন।
'আপনি যাতে রাস্তায় বেরোতে পারেন, তার ব্যবস্থাও করব'
তার কিছুক্ষণ পরেই নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফেসবুকেই থাকুন আপনি বিকেলে। আপনাকে রাস্তায় বেরোতে হবে না। আপনাকে রাস্তায় বেরোতে হবে না। রাস্তায় যাতে আপনি বেরোতে না পারেন, আমি তার ব্যবস্থাও করব।’
‘মমতাকে নিয়ে ভুল ধারণা আছে’, দাবি মমতার
সেই মন্তব্যই হুমকির শামিল বলে অভিযোগ করেছেন মমতা। তিনি বলেছেন, ‘সংবিধানকে মান্যতা দেওয়ার শপথ যিনি নিয়েছেন, সেই বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যেই প্রধান বিরোধী দল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সনের স্বাধীনতা খর্ব করার হুমকি দিচ্ছেন। কথাগুলো ছিল দ্ব্যর্থহীন- রাস্তায় যাতে আপনি বেরোতে না পারেন, আমি তার ব্যবস্থাও করব।’
মমতা আরও বলেন, ‘ওই কথার অর্থটা ঠিক কী? গৃহবন্দী করা? ভয় দেখানো? নাকি রাজনৈতিক নিপীড়ন? সংবিধান মেনে চলা একটি গণতন্ত্রে কে অবাধে চলাফেরা করতে পারবে - সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে? হয়তো তিনি আমায় সেইসব লোকজনের দলে ফেলেছেন, যাঁরা স্বৈরতন্ত্রের কাছে মাথানত করেন। তবে আমায় বলতেই হবে, এটি একটি মারাত্মক ভুল ধারণা।’
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, 'বিষয়টি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে অনেক বড়। এটি এমন এক ভারত গড়ে তোলার প্রশ্ন, যা বিজেপি চায়। যেখানে রাজনৈতিকভাবে বিরোধীকে হুমকি দেওয়া হয়, ভিন্নমত পোষণ করলে শাস্তি পেতে হয় এবং সাংবিধানিক অধিকার হয়ে দাঁড়ায় শাসক দলের দেওয়া বিশেষ সুবিধামাত্র।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


