Suvendu on Baruipur Mob Lynching Case: নাম ও পরিচয় দেখে বারুইপুরে ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে গণপিটুনিতে খুন করা হয়েছে। দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার বারুইপুরের সূর্যপুর ফাঁড়ির উদ্বোধনের পরে তিনি দাবি করেন, বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের কাণ্ডের পরে উস্কানি দেওয়া হয়েছিল। নাম ও পরিচয় দেখে একেবারে চিহ্নিত করে খুন করা হয়েছে। পুরো ঘটনার নেপথ্যে মৌলবাদী শক্তির হাত থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, বারুইপুরে নাবালিকার পরিবারকে যেমন ‘বিচার’ দেওয়া হবে, তেমনই ‘জাস্টিস’ পাবে ইন্দ্রজিতের পরিবার। গণপিটুনির ঘটনা যে বা যারা জড়িত আছে, যারা উস্কানি দিয়েছে, তাদের প্রত্যেককে গ্রেফতার করা হবে (মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইতিমধ্যে)। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী যাতে কঠোরতম পদক্ষেপ করা হয়, তা নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
'বকখালি-দিঘা থেকে তোলা হয়েছে'

তাঁর কথায়, ‘ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে, এটাকে গণপিটুনিতে হত্যা বলব না। নাম এবং পরিচয় দেখে তাঁকে খুন করা হয়েছে। এর পিছনে ভোটে যাঁরা প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়েছেন, তাঁদের বড় উস্কানি আছে। উগ্রপন্থী মৌলবাদী গোষ্ঠীও থাকতে পারে (এই ঘটনার পিছনে)। সেই সম্ভাবনা আমি উড়িয়ে দেব না। তাতে যতগুলো ছবি দেখা গিয়েছে, প্রত্যেককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। একজনকে বকখালি থেকে তুলেছে। একজনকে দিঘা থেকে তুলেছে। যাদের যাদের ভিডিয়ো ফুটেজে, সোশ্যাল মিডিয়ায় (দেখা গিয়েছে, তাদের প্রত্যেককে গ্রেফতার করা হবে)।’
ইন্দ্রজিতের দাদাকে চাকরি ও ২৫ লাখ টাকা পরিবারকে
আর মুখ্যমন্ত্রী সেই আশ্বাস দেওয়ার আগে ইন্দ্রজিতের দাদার হাতে চাকরির নথিপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। সূর্যপুর ফাঁড়িতে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। তাছাড়াও পরিবারের হাতে ২৫ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে। যে ফাঁড়ি তৈরির আর্জি জানান নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যরা। গত মঙ্গলবার যখন বারুইপুরে আসেন মুখ্যমন্ত্রী, তখন সেই আর্জি জানানো হয়েছিল। আজ ফাঁড়ির উদ্বোধন করা হল।
{{/usCountry}}আর মুখ্যমন্ত্রী সেই আশ্বাস দেওয়ার আগে ইন্দ্রজিতের দাদার হাতে চাকরির নথিপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। সূর্যপুর ফাঁড়িতে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। তাছাড়াও পরিবারের হাতে ২৫ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে। যে ফাঁড়ি তৈরির আর্জি জানান নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যরা। গত মঙ্গলবার যখন বারুইপুরে আসেন মুখ্যমন্ত্রী, তখন সেই আর্জি জানানো হয়েছিল। আজ ফাঁড়ির উদ্বোধন করা হল।
{{/usCountry}}এনকাউন্টার নিয়ে কিছু বললেন না মুখ্যমন্ত্রী
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পরিবারের তরফে যে চারজনের নাম দেওয়া হয়েছিল, তাদের সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বসিরহাট থেকেও। তবে অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টার নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি মুখ্যমন্ত্রী।