Solar energy in Bengal Schools: বাংলার সরকারি স্কুল পালটে যাচ্ছে! আসবে বড় পরিবর্তন, বড় ঘোষণা মন্ত্রীর, কী হবে?
Solar energy in Bengal Schools: বাংলার সরকারি স্কুল পালটে যাচ্ছে! আসবে বড় পরিবর্তন, বড় ঘোষণা করলেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সেই ঘোষণা করেছেন।
Solar energy in Bengal Schools: ধাপে-ধাপে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সরকারি স্কুলকেই সৌরবিদ্যুতের আওতায় নিয়ে আসা হবে। জানালেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। তিনি জানিয়েছেন, আগামিদিনে পর্যায়ক্রমে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সরকারি এবং সরকার-পোষিত স্কুলকেই সৌরবিদ্যুৎ এবং অন্যান্য পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানির আওতায় আনা হবে। তার ফলে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা পাবে, তেমনই অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে স্কুলের বিদ্যুতের খরচও বিপুল পরিমাণে হ্রাস পাবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী।

আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন বণিক গোষ্ঠী অ্যাসোচেমের আয়োজিত সপ্তম 'এনার্জি মিট ২০২৬ অ্যান্ড এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ডস' অনুষ্ঠানে। এবারের অনুষ্ঠানের মূল থিম ছিল 'বিকশিত বেঙ্গল ফর বিকশিত ভারত'। সৌরবিদ্যুৎ ক্ষেত্রে কাজের জন্য সেই অনুষ্ঠানে অ্যাসোচেম সোশ্যাল চেঞ্জমেকার্স পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে কলকাতার একটি সংস্থাকে।
'পিএম সূর্যঘর: মুফত বিজলি যোজনা'-র আওতায় দেশের সাধারণ পরিবার বা ঘরোয়া স্তরে সৌরবিদ্যুৎ পৌঁছানোর ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে অ্যাসোচেমের তরফে। ওই সংস্থার সিইও বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির বিষয়টি এমন একটি জ্বালানি পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর নির্ভরশীল হবে, যা পরিচ্ছন্ন, নির্ভরযোগ্য এবং সহজলভ্য।’
ব্যবসার পরিবেশ গড়ে তুলতে মরিয়া সরকার, বললেন মন্ত্রী
কীভাবে প্রগতিশীল নীতি, পরিকাঠামো এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ একটি প্রধান শিল্প এবং ব্যবসায়িক গন্তব্য হিসেবে গড়ে উঠতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে সেই অনুষ্ঠানে।
সেই রেশ ধরে মন্ত্রী অশোক দিন্দা পশ্চিমবঙ্গে একটি ব্যবসা-বান্ধব ইকোসিস্টেম বা পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি জানান, রাজ্যে যাতে আরও বেশি বিনিয়োগ আসে এবং নতুন উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসেন, সেজন্য রাজ্য সরকার সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিল্পোন্নয়নকে উৎসাহিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


