Bharat Taxi in Kolkata: আগামী দু'বছরের মধ্যে ভারতের ৫০০টির বেশি শহরে 'ভারত ট্যাক্সি' চালু হয়ে যাবে। এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার গান্ধীনগর থেকে গুজরাটের ১৪টি শহরে 'ভারত ট্যাক্সি' পরিষেবা উদ্বোধনের সময় তিনি দাবি করেছেন, ওই ৫০০টি শহরের তালিকায় কলকাতা, মুম্বই, নাগপুর, লখনউ, পুণে, চণ্ডীগড়, লখনউ, জয়পুরের মতো জায়গাও আছে। তাঁর কথায়, 'আগামী দু'বছরের মধ্যে নাগপুর, পুণে, মুম্বই, লখনউ, চণ্ডীগড়, জয়পুর এবং কলকাতা-সহ (দেশের) ৫০০-র বেশি শহরে পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা আছে ভারত ট্যাক্সির।'
‘জিরো কমিশন’ মডেলে চলে 'ভারত ট্যাক্সি'

এমনিতে 'ভারত ট্যাক্সি' (Bharat Taxi) হলো ভারতের প্রথম সমবায়-চালিত ও চালকদের মালিকানাধীন রাইড-হেলিং (অ্যাপের মাধ্যমে গাড়ি বুকিং করা) পরিষেবা, যা প্রথাগত এগ্রিগেটর বা মধ্যস্থতাকারী সংস্থাগুলোর তুলনায় সস্তার বিকল্প। কেন্দ্রীয় সরকার ও গুরুত্বপূর্ণ কো-অপারেটিভ এই পরিষেবা ‘জিরো কমিশন’ মডেলে কাজ করে। এখানে চালকরাই প্ল্যাটফর্মের মালিক এবং যাত্রীদের দেওয়া ভাড়ার পুরো অর্থ তারাই নিজেদের কাছে রাখেন।
সাত লাখের বেশি 'সারথী' ভারত ট্যাক্সির শেয়ারহোল্ডার
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, 'ভারত ট্যাক্সি' প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত চালকরা স্রেফ 'চালক' নন, বরং তাঁরা 'সারথী' এবং সহ-মালিক হবেন। ১০০ টাকার শেয়ার কিনে দেশজুড়ে সাত লাখের বেশি 'সারথী' ভারত ট্যাক্সির শেয়ারহোল্ডার হয়ে উঠেছেন। এই মডেলের ফলে গ্রাহকরা যেমন জন্য নিরাপদ ও সস্তায় যাতায়াতের সুযোগ পাচ্ছেন, তেমনই চালকদের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধিও বেড়েছে।
স্বল্প সুদে ঋণ থেকে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ মিলবে
{{/usCountry}}স্বল্প সুদে ঋণ থেকে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ মিলবে
{{/usCountry}}সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, পরিবহণ পরিষেবা প্রদানের গণ্ডি ছাড়িয়ে ‘ভারত ট্যাক্সি’-র লক্ষ্য আরও বিস্তৃত। আগামিদিনে স্বল্প সুদে ঋণ এবং ‘সারথি’-দের পরিবারের জন্য ‘ভারত ট্যাক্সি’-র তরফে বিমা সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি তাঁদের ব্যবসার সম্প্রসারণের জন্য আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেছেন, ‘আজ আমার কাছে কয়েকটি ফোন এসেছে এবং কয়েকটি সংবাদপত্রেও খবর প্রকাশিত হয়েছে যে ভারত ট্যাক্সির ভাড়া বেশি। আমি সারা দেশের গ্রাহকদের জানাতে চাই যে, ভারত ট্যাক্সি যেখানেই তাদের পরিষেবা চালু করে সেখানেই প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিগুলো তাৎক্ষণিকভাবে ভাড়া কমিয়ে দেয় এবং লোকসান স্বীকার করেও টিকে থাকার চেষ্টা করে। আমাদের উদ্দেশ্য কাউকে লোকসানের মুখে ফেলা নয়; বরং ভাড়া কমানো এবং চালকদের (যাদের আমরা ‘সারথি’ বলি) বেশি কমিশন দেওয়ার এই পদক্ষেপগুলো নেওয়া হচ্ছে শুধুমাত্র ভারত ট্যাক্সিকে বাজারে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখার জন্য।