Kalighat-Dakhineswar Tram: ট্রাম চলবে কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বর রুটে? সল্টলেক ও নিউ টাউনেও চালানোর ভাবনা রাজ্যের
Kalighat-Dakhineswar Tram: কলকাতার ট্রামকে লাটে তুলে দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। সেখান থেকে ট্রাম নিয়ে মেগা পরিকল্পনা করল বিজেপি সরকার। কলকাতায় ট্রামকে পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি সল্টলেক, নিউ টাউন, কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বরেও মেগা পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
Kalighat-Dakhineswar Tram: সল্টলেক এবং নিউ টাউনেও ট্রাম চালানোর পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং জানিয়েছেন যে কলকাতায় যে চিরাচরিত ট্রামরুট ছিল, সেগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে। এখন যে দুটি রুটে ট্রাম চলাচল করে, সেখানে পরিষেবা আরও ভালো করতে চাইছে রাজ্য সরকার। সেই নেটওয়ার্ক তৈরি হয়ে গেলে সল্টলেক এবং নিউ টাউনেও ট্রাম্প চালানোর দিকে নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণ মন্ত্রী।

ব্লু-্প্রিন্ট তৈরির কাজ শুরু রাইটসের
আর তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে লাটে তুলে দেওয়া ট্রামকে কলকাতায় পুরোদমে ফিরিয়ে আনতে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। কীভাবে ট্রামকে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়ে রাইটসকে ব্লু-প্রিন্ট তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ রাজ্য সরকার মনে করছে যে শুধুমাত্র ঐতিহ্যের জন্য নয়, বরং কলকাতার যানজটের সমস্যা ও দূষণ কমানোর জন্য ট্রাম ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রামই হল প্রকৃত ‘বৈদ্যুতিক গাড়ি’, মত পরিবহণ মন্ত্রীর
ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবহণ মন্ত্রী জানিয়েছেন যে ট্রামই হল প্রকৃত ‘বৈদ্যুতিক গাড়ি’। একটি ট্রামে যতজন যাত্রী চলাচল করতে পারেন, তা তিনটি বাসের থেকেও বেশি। মেট্রোর নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করে ট্রাম চালিয়ে কলকাতার পরিবহণ ব্যবস্থা আমূল পালটে দিতে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন অর্জুন।
কালীঘাট থেকে দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে ট্রাম চলবে?
তবে শুধু তাই নয়, ধর্মীয় পরিবহণের ক্ষেত্রেও ট্রামকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা চলছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, কালীঘাট এবং দক্ষিণেশ্বরকে যুক্ত করার জন্য হুগলি নদী এবং আদি গঙ্গা বরাবর ট্রামলাইন তৈরি করা যায় কিনা, সেই সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে রাজ্যের পরিবহণ দফতর এবং রাইটস।
পাশাপাশি পরিবহণ মন্ত্রী জানিয়েছেন, দুর্গাপুজো যেমন ইউনেস্কোর হেরিটেজ স্বীকৃতি পেয়েছে, ট্রামও সেরকম তকমা যাতে পায়, সেই চেষ্টা করা হবে। আর সেই স্বপ্নপূরণ হলে কলকাতার ছবিটা পালটে যাবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


