...
...
Next Story

Bypass Metro Latest Update: বাইপাস মেট্রোর 'শূন্যস্থান' পূরণের কাজ শুরু RVNL-র, দেড় মাসের কাজের পরে হবে লাভ

Bypass Metro Latest Update: বাইপাস মেট্রোর 'শূন্যস্থান' পূরণের কাজ শুরু করল নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রোর দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সি রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড (আরভিএনএল)। সেই কাজের জন্য দেড় মাস ট্র্যাফিক ব্লক থাকছে।

Published on: Jun 02, 2026 09:34 AM IST
Advertisement

Bypass Metro Latest Update: বাইপাস মেট্রোয় শূন্যস্থান ভরাট করার দিকে আরও এগিয়ে গেল রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড (আরভিএনএল)। চিংড়িঘাটায় ৩৬৬ মিটারের কাজ শেষ করার পরে এবার নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রোর দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সি আরভিএনএল শুরু করল বেলেঘাটা স্টেশনের ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের কাজে। এর ফলে চিংড়িঘাটা থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে মেট্রোপলিটনের কাছে অবস্থিত বেলেঘাটা স্টেশনে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের পথ সুগম হতে চলেছে বলে মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে দাবি করা হয়েছে।

কাটল ৬ বছরের জট: চিংড়িঘাটায় জোড়া লাগল পিলার

বাইপাস মেট্রোর 'শূন্যস্থান' পূরণের কাজ শুরু হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Metro Railways)
বাইপাস মেট্রোর 'শূন্যস্থান' পূরণের কাজ শুরু হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Metro Railways)

নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট করিডোরের মেট্রোপলিটন থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত অংশে মোট ১২টি পিলারের মাঝে ৩৬৬ মিটারের ফাঁকা অংশ ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে কঠিন ও বড় চ্যালেঞ্জ ছিল অত্যন্ত ব্যস্ত চিংড়িঘাটা ক্রসিংয়ের ওপর থাকা ৬২ মিটারের ভায়াডাক্ট (যেটির ওপর রেললাইন পাতা হয়) তৈরি করা। দীর্ঘদিন ধরে এই কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে আপ্রাণ চেষ্টা করছিল আরভিএনএল। কিন্তু ট্র্যাফিক পুলিশ ও প্রশাসনের অনুমতি না মেলায় থমকে ছিল কাজ।

আরও পড়ুন: WB Underground Power Line: ঘূর্ণিঝড়েও কারেন্ট থাকবে! বারুইপুর, চন্দননগর-সহ ৪ শহরে কাজ শেষ, আসানসোল-শিলিগুড়িতে কবে?

অবশেষে রাজ্যে বিজেপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই জট কাটে। মেট্রোর কাজের গুরুত্ব বিবেচনা করে পরপর দুটি সপ্তাহান্তে একটানা ট্র্যাফিক ব্লকের অনুমতি দেওয়া হয়। প্রশাসন ও পুলিশের এই সহযোগিতায় ৩১৭ এবং ৩১৯ নম্বর পিলারের মাঝখানের ৬২ মিটারের শূন্যস্থানটি কংক্রিটের ডেক লঞ্চ করে ভরাট করা সম্ভব হয়েছে। এরপর ৩১৯ এবং ৩২০ নম্বর পিলারের মাঝের অংশটিও জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

পিলারের কাজ শেষ হতেই আরভিএনএল এবার বেলেঘাটা মেট্রো স্টেশনের পূর্ব দিকের প্রধান প্রবেশপথ অর্থাৎ ফুট ওভারব্রিজ তৈরির কাজে হাত দিয়েছে। এই কাজের জন্য অবশেষে ৪৫ দিনের একটি নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) দিয়েছে পুলিশ। ফুট ওভারব্রিজের মাঝখানের স্তম্ভ তৈরি হবে ই.এম বাইপাসের উত্তর ও দক্ষিণমুখী লেনের ঠিক মাঝখানে। এই কাজের জন্য বাইপাসের মেট্রোপলিটন সংলগ্ন দক্ষিণমুখী লেনের প্রায় আট মিটার অংশ ব্যারিকেড বা রেলিং দিয়ে ঘিরে ফেলা হবে। এর ফলে ট্র্যাফিকের গতি স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প রুট তৈরি করেছে কলকাতা পুলিশ।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe