Mamata and Abhishek Banerjee Case Update: ধর্মতলায় একুশে জুলাই পালন নিয়ে আদালত অবমাননার যে মামলা হয়েছে, তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হলফনামা চাওয়া হল। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে যে ওই মামলার সঙ্গে যুক্ত সবপক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে। সেইমতো হলফনামা দিতে হবে পশ্চিমবঙ্গের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমোকে। আবার আগামী মাসে সেই মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছে হাইকোর্ট। তারইমধ্যে হাইকোর্টে অপর একটি মামলায় ধাক্কা খেয়েছেন মমতার ভাইপো তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক। তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের মামলায় যে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন, তা খারিজ করে দিল হাইকোর্ট।
অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা

আসলে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেকের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে। দায়ের করা হল মামলা। সেই মামলার তদন্তের স্বার্থের অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চায় সিআইডি। তা নিয়ে বিধাননগর আদালতে অনুমতি চাওয়া হয়। নিম্ন আদালত অনুমতি দিলেও হাইকোর্টে যান অভিষেক। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ দাবি করেন, তিনি যখন অস্বীকার করছেন যে ওটা তাঁরই কণ্ঠস্বর, তাহলে কোন যুক্তিতে নমুনা পরীক্ষা করবে সিআইডি?
হাইকোর্টে পরপর ধাক্কা
যদিও হাইকোর্টে স্বস্তি পাননি অভিষেক। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়েছিল। যদিও হাইকোর্ট বলে যে তদন্তের সময় কী করতে হবে, তা আদালত বলে দিতে পারে না তদন্তকারী সংস্থাকে। তাছাড়া যে আদালতে মূল মামলা চলছে, সেখানেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকরা আবেদন করতে পারেন বলে জানায় হাইকোর্ট। তারপর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চের দ্বারস্থ হন অভিষেক। আর্জি জানান দ্রুত শুনানির। যদিও বিচারপতি ভট্টাচার্য জানিয়ে দেন, আগামী মঙ্গলবার আগে শোনা হবে না কোনও আবেদন।
একুশে জুলাই সংক্রান্ত আদালত অবমাননার মামলা
{{/usCountry}}একুশে জুলাই সংক্রান্ত আদালত অবমাননার মামলা
{{/usCountry}}অভিষেকের সেই ধাক্কার মধ্যেই একুশে জুলাই সংক্রান্ত আদালত অবমাননার মামলার শুনানি হয়। ২০১৮ সালে হাইকোর্ট কড়া ভাষায় জানিয়েছিল যে সভা করার জন্য শহরের বড় কোনও রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা যাবে না। যদিও সেই নির্দেশের তোয়াক্কা না করে গত বছরও ধর্মতলায় তৃণমূলের তরফে শহিদ দিবসের সভা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই মামলায় আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছিল মমতা এবং অভিষেককে। এবার মমতা-সহ সবপক্ষের হলফনামা তলব করেছে হাইকোর্ট।