Bengal Railways Project: বেনারস ব্রিজ থেকে ডানকুনি, রানাঘাট, নৈহাটি- রেলের কোন কোন প্রকল্প 'স্পিড' তুলবে?

Bengal Railways Project: চাঁদমারি ব্রিজ-সহ একাধিক রেলের কাজ নিয়ে মুখ খুলল পূর্ব রেল। বেনারস ব্রিজ থেকে ডানকুনি, রানাঘাট, নৈহাটি- রেলের কোন কোন প্রকল্প 'স্পিড' তুলবে বলে পূর্ব রেলের তরফে জানানো হল? কী বলা হল?

Published on: May 7, 2026, 17:57:31 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Bengal Railways Project: বিজেপি জিততেই তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে নিশানা করল পূর্ব রেল। বৃহস্পতিবার রেলের তরফে জানানো হয়েছে, বিদায়ী রাজ্য সরকারের ক্রমাগত অসহযোগিতার জন্য রেলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো প্রকল্পগুলি থমকে ছিল। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার যাত্রী নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেতুর স্বাস্থ্যের অবনতি হলেও কাজ আটকে ছিল বলে রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে। রেলের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের সমন্বয়ের ভিত্তিতে দ্রুতগতিতে শেষ করা হবে দীর্ঘদিনের বকেয়া প্রকল্পগুলো।

চাঁদমারি ব্রিজ-সহ একাধিক রেলের কাজ নিয়ে মুখ খুলল পূর্ব রেল। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে Eastern Railways)
চাঁদমারি ব্রিজ-সহ একাধিক রেলের কাজ নিয়ে মুখ খুলল পূর্ব রেল। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে Eastern Railways)

বিপজ্জনক ব্রিজের ভবিষ্যৎ ও জনসুরক্ষা

পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হাওড়া স্টেশনের কাছে অবস্থিত বেনারস এবং চাঁদমারি রোড ওভারব্রিজের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। রেল প্রশাসন বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও বিদায়ী সরকার ট্রাফিক ব্লকের অনুমতি না দেওয়ায় মেরামতির কাজ শুরু করা যায়নি। জেনারেল ম্যানেজার মিলিন্দ দেউস্কর ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নিয়েও বিগত প্রশাসনের কাছ থেকে কোনও সদর্থক সাড়া পাননি। যেখানে ১০০ শতাংশ টাকা দিচ্ছে রেল, সেখানে কেন কাজ আটকে রাখা হল, তা নিয়ে এখন বড় প্রশ্ন উঠছে। তবে নতুন প্রশাসনিক পরিবেশে টানা চার মাস কাজ করে এই বেনারস ব্রিজের পুরো কর্মযজ্ঞ শেষ করার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: Dilip on Mamata's resignation claim: মমতা হলেন ‘শাড়ি পরা ট্রাম্প’, পদত্যাগ করতে না চাওয়ায় তোপ দিলীপের, কী 'ছক' ছিল?

জমি জট ও প্রশাসনিক টালবাহানা

রেলের তরফে জানানো হয়েছে, নৈহাটি-রানাঘাট এবং রানাঘাট-কৃষ্ণনগর সেকশনে তৃতীয় লাইনের কাজ গত জুলাই থেকে ঝুলে রয়েছে শুধুমাত্র ল্যান্ড ম্যাপ বা জমির নকশা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে। জেলা প্রশাসনের খামখেয়ালিপনায় রেলের স্ট্যান্ডার্ড সার্ভে ম্যাপ গ্রহণ না করায় থমকে ছিল কাজ। একই অবস্থা সাঁইথিয়া বাইপাস প্রকল্পেরও। পাঁচ বছর আগে একে ‘বিশেষ রেল প্রকল্প’ ঘোষণা করা হলেও, ২০২০ সাল থেকে আজ পর্যন্ত কোনো জমি রেলের হাতে তুলে দেয়নি বিদায়ী প্রশাসন। এমনকী ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়নি বলে রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: Agni-6 Ballistic Missile Test: পাকিস্তান তো চুনোপুঁটি! ভারতীয় মিসাইলের 'টার্গেটে' চলে আসবে ইউরোপও, আসছে ‘সে’

তৃতীয় ও চতুর্থ লাইনের কাজে গতি

রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রকল্প যেমন— চন্দনপুর-শক্তিগড় চতুর্থ লাইন, মুরারই-বারহারওয়া তৃতীয় লাইন এবং ডানকুনি-বালটিকুরি তৃতীয় ও চতুর্থ লাইনের জন্য ‘কম্পিটেন্ট অথরিটি’ নিয়োগের আবেদন জানানো হয়েছিল ২০২৫ সালের এপ্রিলে। কিন্তু বিদায়ী সরকার সেই সাধারণ প্রশাসনিক পদক্ষেপটুকুও নেয়নি। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে জমি অধিগ্রহণের বাধা কাটানো হবে বলে আশা করছে রেল কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: UPSC Civil Services Success Story: ডাক্তারি ছেড়ে UPSC সিভিল সার্ভিস, IAS হয়ে শহরের ভোল পালটাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা

উন্নয়নের নতুন দিগন্ত

পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ‘যাত্রী সুরক্ষা আমাদের কাছে প্রধান অগ্রাধিকার। বিদায়ী সরকারের তৈরি করা বাধাগুলো এখন অপসারিত হচ্ছে। আমরা দিনরাত কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বিশ্বমানের এবং নিরাপদ রেল পরিষেবা পায়।’

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More