...
...
Next Story

Chandrima on Mamata's rebuke: মমতার মুখের এই ৫ শব্দ বিঁধেছে তীরের মতো! 'কষ্ট' পেয়ে দিদির হাত ছাড়লেন চন্দ্রিমা

Chandrima on Mamata's rebuke: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় কষ্ট পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত পদ ছাড়লেন বলে দাবি করলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। আর তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরে বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

Published on: Jul 4, 2026, 14:58:42 IST
Advertisement

Chandrima on Mamata's rebuke: ‘তুমি ওদের হাতে তুলে দিলে?’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় কষ্ট পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত পদ ছাড়লেন বলে দাবি করলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। (ফাইল ছবি)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় কষ্ট পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত পদ ছাড়লেন বলে দাবি করলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। (ফাইল ছবি)

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই পাঁচটি শব্দের বিঁধেছে তীরের মতো। পেয়েছেন ‘কষ্ট’। আর সেজন্যই ‘দিদি’-র সঙ্গত্যাগ করেছেন বলে জানালেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শনিবার দুপুরে চিঠি দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত পদ ছেড়ে দেওয়ার পরে সংবাদমাধ্যম টিভি নাইনের সাক্ষাৎকারে চন্দ্রিমা বলেন যে মমতার কথায় কষ্ট পেয়েছেন। বেদনাহত হয়েছেন। প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড় করানো হয়েছে তাঁর দীর্ঘদিনের আনুগত্যকে। আর সেই পরিস্থিতিতে রাজ্য সভাপতি-সহ তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে দাবি করেছেন চন্দ্রিমা।

রোজের মতোই তৃণমূল ভবনে ছিলাম, দাবি চন্দ্রিমার

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী দাবি করেছেন, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে ইএম বাইপাসে তৃণমূল ভবনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী নেতারা আসার পরই মমতা সেই কথাগুলো বলেছিলেন। ওই সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, মমতা বলেন যে ‘তুমি ওদের হাতে (তৃণমূল ভবন) তুলে দিলে?’ অথচ তিনি রোজকার মতোই তৃণমূল ভবনে ছিলেন। প্রতিদিন যতক্ষণ বসেন, শুক্রবারও ততক্ষণ বসেছিলেন। সন্ধ্যা ৬ টা ২০ মিনিট নাগাদ বের হন। তাঁদের বিদ্রোহী শিবিরের কারও দেখা হয়নি বা তৃণমূল ভবনও কারও হাতে তুলে দেননি বলে দাবি করেছেন চন্দ্রিমা।

আরও পড়ুন: Adani Investment in Bengal: বাংলায় আরও ২৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ আদানিদের! পুজোর আগেই শিলান্যাস মেগা প্রকল্পের

‘আনুগত্য যখন প্রশ্নচিহ্নের মুখে, তখন সেটা আমারই ব্যর্থতা’

আরও পড়ুন: Priyadarshini Mallick Canteen Bill News: ১ বছরেই ক্যান্টিনের বিল ১ কোটি টাকা উচ্চমাধ্যমিক সংসদে! বালুর মেয়ের নামে অভিযোগ

হাসিমুখে বিধানসভায় ঋতব্রতদের সঙ্গে দেখা চন্দ্রিমার

আর তারপরই চন্দ্রিমা সরাসরি বিধানসভায় চলে আসেন। তাঁকে স্বাগত জানান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নেতারা। পরবর্তীতে তাঁকে হাসিমুখে ঋতব্রতদের সঙ্গে হাসিমুখে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। হাসতে দেখা যায় ঋতব্রতকেও। সেখানে ছিলেন কলকাতা বন্দরের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা, রাসবিহারীর প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমাররা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe