Chandrima on Mamata's rebuke: ‘তুমি ওদের হাতে তুলে দিলে?’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই পাঁচটি শব্দের বিঁধেছে তীরের মতো। পেয়েছেন ‘কষ্ট’। আর সেজন্যই ‘দিদি’-র সঙ্গত্যাগ করেছেন বলে জানালেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শনিবার দুপুরে চিঠি দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত পদ ছেড়ে দেওয়ার পরে সংবাদমাধ্যম টিভি নাইনের সাক্ষাৎকারে চন্দ্রিমা বলেন যে মমতার কথায় কষ্ট পেয়েছেন। বেদনাহত হয়েছেন। প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড় করানো হয়েছে তাঁর দীর্ঘদিনের আনুগত্যকে। আর সেই পরিস্থিতিতে রাজ্য সভাপতি-সহ তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে দাবি করেছেন চন্দ্রিমা।
রোজের মতোই তৃণমূল ভবনে ছিলাম, দাবি চন্দ্রিমার
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী দাবি করেছেন, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে ইএম বাইপাসে তৃণমূল ভবনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী নেতারা আসার পরই মমতা সেই কথাগুলো বলেছিলেন। ওই সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, মমতা বলেন যে ‘তুমি ওদের হাতে (তৃণমূল ভবন) তুলে দিলে?’ অথচ তিনি রোজকার মতোই তৃণমূল ভবনে ছিলেন। প্রতিদিন যতক্ষণ বসেন, শুক্রবারও ততক্ষণ বসেছিলেন। সন্ধ্যা ৬ টা ২০ মিনিট নাগাদ বের হন। তাঁদের বিদ্রোহী শিবিরের কারও দেখা হয়নি বা তৃণমূল ভবনও কারও হাতে তুলে দেননি বলে দাবি করেছেন চন্দ্রিমা।
‘আনুগত্য যখন প্রশ্নচিহ্নের মুখে, তখন সেটা আমারই ব্যর্থতা’
সেইসঙ্গে চন্দ্রিমা দাবি করেছেন, তৃণমূল ভবন কারও তুলে দেওয়ার ক্ষমতা নেই। কিন্তু যেভাবে তাঁর আনুগত্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে, আঙুল তোলা হয়েছে আনুগত্যের প্রতি, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং কষ্টকর। তাঁর কথায়, ‘আনুগত্য যখন প্রশ্নচিহ্নের মুখে, তখন সেটা আমারই ব্যর্থতা।’ আর সেই পরিস্থিতিতে ভোটে ভরাডুবির পরেও অনেকের থেকে অনেক বেশি আনুগত্য দেখিয়েও তৃণমূলের সমস্ত পদ ছেড়ে দিলেন বলে দাবি করেছেন চন্দ্রিমা।
{{/usCountry}}সেইসঙ্গে চন্দ্রিমা দাবি করেছেন, তৃণমূল ভবন কারও তুলে দেওয়ার ক্ষমতা নেই। কিন্তু যেভাবে তাঁর আনুগত্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে, আঙুল তোলা হয়েছে আনুগত্যের প্রতি, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং কষ্টকর। তাঁর কথায়, ‘আনুগত্য যখন প্রশ্নচিহ্নের মুখে, তখন সেটা আমারই ব্যর্থতা।’ আর সেই পরিস্থিতিতে ভোটে ভরাডুবির পরেও অনেকের থেকে অনেক বেশি আনুগত্য দেখিয়েও তৃণমূলের সমস্ত পদ ছেড়ে দিলেন বলে দাবি করেছেন চন্দ্রিমা।
{{/usCountry}}হাসিমুখে বিধানসভায় ঋতব্রতদের সঙ্গে দেখা চন্দ্রিমার
আর তারপরই চন্দ্রিমা সরাসরি বিধানসভায় চলে আসেন। তাঁকে স্বাগত জানান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নেতারা। পরবর্তীতে তাঁকে হাসিমুখে ঋতব্রতদের সঙ্গে হাসিমুখে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। হাসতে দেখা যায় ঋতব্রতকেও। সেখানে ছিলেন কলকাতা বন্দরের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা, রাসবিহারীর প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমাররা।