CPIM on ISKCON getting Mid Day Meal: মিড ডে মিলের জন্য ইসকনকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে কেন? প্রশ্ন তুলল CPIM

CPIM on ISKCON getting Mid Day Meal: কলকাতার স্কুলে মিড ডে মিল প্রদানের জন্য ইসকনের সহায়তা নেওয়া হবে বলে বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলল সিপিআইএম। বাজেটের ঘোষণার পরে কী বলা হল বামেদের তরফে?

Published on: Jun 23, 2026, 10:56:05 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

CPIM on ISKCON getting Mid Day Meal: মিড ডে মিল প্রকল্পের সঙ্গে ইসকনকে যুক্ত করা হচ্ছে কেন? সেই প্রশ্ন তুলল সিপিআইএম। সোমবার যে বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, তাতে তিনি ঘোষণা করেছেন যে কলকাতার স্কুলে মিড ডে মিল প্রদানের জন্য ইসকনের সহায়তা নেওয়া হবে। পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে সেই প্রকল্পের সূচনা করা হচ্ছে। তবে সেই সিদ্ধান্ত প্রশ্ন তুলেছে সিপিআইএম। বামেদের দাবি, মিড ডে মিল সরকারি প্রকল্প। পুরো দেশেই চলছে। তাহলে কেন কলকাতায় ইসকনকে মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া হবে?

মিড ডে মিলের জন্য ইসকনকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে কেন? প্রশ্ন তুলল সিপিআইএম। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ফেসবুক CPIM West Bengal এবং পিটিআই)
মিড ডে মিলের জন্য ইসকনকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে কেন? প্রশ্ন তুলল সিপিআইএম। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ফেসবুক CPIM West Bengal এবং পিটিআই)

মিড ডে মিলের জন্য ইসকনের কী দরকার? প্রশ্ন বামেদের

অর্থনীতির অধ্যাপিকা ইশিতা মুখোপাধ্যায় (সিপিআইএমের তরফে বাজেটের বিশ্লেষণ করেন তিনি) বলেছেন, ‘মিড ডে মিলে ১০ টাকা (প্রাথমিকে মিড ডে মিলে প্রতিটি শিশুর জন্য ১০ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বাজেটে) বাড়বে। নিঃসন্দেহে প্রশংসার বিষয়। এর জন্য ইসকনকে লাগবে কেন? এটা তো দেশজুড়ে (চলা) একটা প্রকল্প। সরকারি প্রকল্প, প্রাপ্য-নায্য প্রকল্প। এর জন্য ইসকনের কী প্রয়োজন আছে? বোঝা গেল না। ইসকনের প্রয়োজন কেন? মিড ডে মিলের সঙ্গে (ক্ষেত্রে) ইসকনের কী দরকার আছে?’

আরও পড়ুন: Dilip's appeal to Muslims: 'বাংলাদেশের মতো অবস্থায় থাকতে হবে', মুসলিম ‘ভাইদের’ কী নিয়ে সতর্ক করলেন দিলীপ?

ইসকনের তরফে কী বলা হয়েছে?

এমনিতে বাজেটের ঘোষণার পরে ইসকনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং মুখপাত্র রাধারমণ দত্ত বলেন, ‘কলকাতার স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল পরিবেশনের দায়িত্ব ইসকনের হাতে দেওয়ার অর্পণ করার জন্য মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানাই। ইসকনের অন্নামৃত ফাউন্ডেশন মিড ডে মিল কর্মসূচির মাধ্যমে সারা ভারতের সরকারি স্কুলগুলিতে প্রতিদিন ১০ লাখেরও বেশি পুষ্টিকর এবং গরম খাবার পরিবেশন করে থাকে। আমাদের রান্নাঘরগুলিতে ফাইভ-স্টার মানের মানদণ্ড বজায় রাখা হয়। আমরা প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যকর, গরম ও নিরামিষ খাবার সরবরাহ করি। হরে কৃষ্ণ।’

আরও পড়ুন: Rain Forecast in South Bengal Update: বৃষ্টি হলেও একধাক্কায় পারদ চড়বে কলকাতায়, দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায় কমলা সতর্কতা আজ

সেইসঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা পুরনিগম এলাকার স্কুলে পড়ুয়াদের আরও পুষ্টিকর খাবার (মিড ডে মিল) সরবরাহ করার জন্য ইসকনের সহযোগিতা নেওয়া হবে। সেইসঙ্গে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিক স্কুলে মিড ডে মিলের জন্য মাথাপিছু ১০ টাকা দেওয়া হবে। অর্থাৎ দৈনিক বরাদ্দ ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More