Dilip's appeal to Muslims: 'বাংলাদেশের মতো অবস্থায় থাকতে হবে', মুসলিম ‘ভাইদের’ কী নিয়ে সতর্ক করলেন দিলীপ?
Dilip's appeal to Muslims: সোমবার পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বাজেট পেশ করেছেন। তার পরদিনই মুসলিমদের বার্তা দিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি দাবি করলেন, এটা শুধুমাত্র সংখ্যালঘুদের সরকার নয়।
সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের বরাদ্দ একধাক্কায় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বাজেটে। তা নিয়ে একটি মহল থেকে সমালোচনা করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়ে দিলেন, এটা শুধুমাত্র সংখ্যালঘুদের সরকার নয়। এটা সকলের সরকার। তাই সকলের জন্য বাজেট হয়েছে। সংবাদংস্থা এএনআইয়ের মুসলিম ভাইদেরসাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘এটা (শুধুমাত্র) সংখ্যালঘুদের সরকার নয়। এটা সমাজের সরকার- সবকা সাথ, সবকা বিকাশ। মাথা থেকে সেটা বের করে দিক। মুসলিম ভাইদের বলতে চাই, আপনারা এই চোরদের থেকে দূরে থাকুন; তা নাহলে আপনাদেরও বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতির মধ্যে বসবাস করতে হবে। এই সরকার সবকা সাথ, সবকা বিকাশ করবে। সকলের জন্য কাজ করছে। নরেন্দ্র মোদীজিকে দেখুন। ১২ বছর ধরে করছেন।’

আইএসএফের তরফে কী বলা হল?
এমনিতে সোমবার অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত যে বাজেট পেশ করেছেন, সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের বরাদ্দ কমিয়ে ২,১৬৫.৪২ কোটি টাকা করা হয়েছে। একধাক্কায় প্রায় ৩,৫০০ কোটি টাকা কমে গিয়েছে বরাদ্দ। যা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে নওশাদ সিদ্দিকীদের আইএসএফের তরফে বলা হয়েছে, 'সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ এই অর্থবর্ষে প্রায় ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাত্র ২,১৬৫ কোটি টাকা। অর্থাভাবে শুকিয়ে মারার চেষ্টা। এইভাবে বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ তৈরি করবে বিজেপি সরকার?'
এটা দিল্লি-নির্ভর বাজেট, দাবি মমতা শিবিরের
আবার বাজেটের সর্বাত্মক বিরোধিতা করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। বেলেঘাটার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘নতুন সরকার। আমরা সময় দিচ্ছি। শুরু থেকেই সর্বাত্মক বিরোধিতা নয়। গঠনমূলক বিরোধিতা। মমতাদির সময় দিল্লির টাকা বন্ধ ছিল। স্বনির্ভর বাংলা বাজেট হত। এখন হল দিল্লি-নির্ভর বাজেট। বাজেট ভাষণে বারবার দিল্লির প্রকল্পের উল্লেখ। এই বাজেটে টাকা খরচের কথা আছে। অর্থমন্ত্রী বহু ক্ষেত্রে টাকা দেওয়ার কথা বলেছেন। কারণ জোগান আছে। আগে সেটা ছিল না। ইচ্ছে থাকলেও করতে পারতেন না মমতাদি। তবে আজ এখানে টাকা খরচের কথা থাকলেও টাকা আয়ের রূপরেখা নেই। সেটা কি দিল্লি দেবে?’
'মমতাদির করা, মমতাদির ঘোষিত…', কী বললেন কুণাল?
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বহু স্কিম, প্রকল্প, পরিকাঠামো আগে মমতাদির করা, মমতাদির ঘোষিত। বহু স্কিমে যত মানুষ উপকার পেতেন, এখন উপভোক্তা কমানোর ইঙ্গিত আসছে। তবু, আমরা এখনই পুরো বিরোধিতা না করে সরকারকে সময় দেব। ওঁরা যা ভালো কথা বলছেন, সেগুলো করলে ভালো। না করলে জনস্বার্থে আমরা প্রতিবাদ করব। কিছু নীতিগত প্রশ্নও থাকছে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


