WB performance in ISC 2026 Result: মুখস্থবিদ্যা নয়, জ্ঞানের যাচাই করতেই ISC-তে বাজিমাত বাংলার, ‘প্রথম’ হলেন ৭ জন
WB performance in ISC 2026 Result: আইএসসি পরীক্ষায় ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যের কমপক্ষে সাতজন দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। আর সেটার নেপথ্যে ক্রিটিকাল থিংকিং আছে বলে মনে করছে শিক্ষক মহল।
WB performance in ISC 2026 Result: ধারণা কতটা স্বচ্ছ? জ্ঞান কতটা গভীর? শুধু মুখস্থ না করে কোনও বিষয় কতটা বুঝেছেন পড়ুয়ারা? সেই বিষয়গুলির উপরে কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এক্সামিনেশনসের (CISCE) তরফে বাড়তি জোর দেওয়ার পরেই দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা আইএসসিতে (ISC) দুর্দান্ত ফলাফল করেছেন পশ্চিমবঙ্গের ছাত্রছাত্রীরা। ৪০০ নম্বরের মধ্যে ৪০০ পেয়েছেন কমপক্ষে সাতজন। তাছাড়াও ৯৫ শতাংশর বেশি নম্বর পেয়েছেন ২,৭১৮ জন। আবার ৯০ শতাংশ থেকে ৯৫ শতাংশের মধ্যে নম্বর পেয়েছেন ৪,২৩৭ জন পড়ুয়ারা। সার্বিকভাবে পাশের হারও বেড়েছে সামান্য। এবার পাশের হার ঠেকেছে ৯৯.০৭ শতাংশে।

মুখস্থবিদ্যা নয়, ধারণা কতটা স্বচ্ছ?
আর সেই সাফল্যের নেপথ্যে পরীক্ষার ধাঁচে যে পরিবর্তন এসেছে, তার বড় ভূমিকা রয়েছে মনে করছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তাঁদের মতে, মুখস্থবিদ্যার পরিবর্তে আইএসসি পরীক্ষায় ক্রিটিকাল থিংকিং, অ্যাপ্লিকেশন-বেসড লার্নিং, ক্রিটিকাল অ্যানালিসিসের মতো বিষয়গুলির উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। স্রেফ হুবহু মুখস্থ করে পরীক্ষায় লিখে দেওয়ার পরিবর্তে স্বচ্ছ ধারণার উপরে জোর দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড, সেটার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের পড়ুয়ারা ভালোভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছেন। এমনকী যে বিষয়গুলিতে নম্বর তোলা কঠিন বলে মনে করা হত, সেখানেও ভালো নম্বর পেয়েছেন পড়ুয়ারা।
ISC পরীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে কারা কারা প্রথম হয়েছেন?
১) অনুষ্কা ঘোষ, সেন্ট জেভিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (পানিহাটি)।
২) ইলিনা রাজকুমার উদানি, দ্য হেরিটেজ স্কুল (আনন্দপুর)।
৩) সুজাত পাল, বিবেকানন্দ মিশন স্কুল (জোকা)।
৪) অগ্নিভ চক্রবর্তী, সেন্ট জেমস স্কুল।
৫) আনন রামি, ডিপিএস মেগাসিটি।
৬) রাশি চৌবে, মাহবার্ট হাইস্কুল (শিলিগুড়ি)।
৭) হর্ষিত আগরওয়াল (লা মার্টিনিয়ার ফর বয়েজ)।
বিভিন্ন স্কুলের ফলাফল কেমন হল?
১) সেন্ট জেভিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, পানিহাটি: ৯৫ শতাংশ বা তার বেশি নম্বর পেয়েছেন ৭৫ জন। প্রথম স্থানের পাশাপাশি দু'জন দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন - মেঘাত্ময় সাহা এবং জিগ্যা সাধু।
২) সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজিয়েট স্কুল: ৯০ শতাংশ বা তার বেশি নম্বর পেয়েছেন ১০০ জন পড়ুয়া। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৬৯।
৩) মর্ডান হাইস্কুল: মোট ১৫৪ জন পরীক্ষা দেন। ১৩৫ জনেরই প্রাপ্ত নম্বর ৯০ শতাংশের উপরে।
৪) লা মার্টিনিয়ার: পাশের হার ১০০ শতাংশ। একজন প্রথম হয়েছেন। দু'জন দ্বিতীয় হয়েছেন - ভাব্যা পুগলিয়া শৌর্য সুরেখা। তৃতীয় হয়েছেন চারজন - অগ্নিশ চট্টোপাধ্যায়, গৌরব কুমার আগরওয়াল, জয়াদিত্য বুবনা এবং ঋষভ কারনাওয়াত।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


