Dilip on Mamata's Bhawanipore appeal: 'মমতা ভাবছেন এখনও নির্বাচনে লড়ছেন', শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ করায় খোঁচা দিলীপের
Dilip on Mamata's Bhawanipore appeal: 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাবছেন যে এখনও তিনি নির্বাচনে লড়ছেন', ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারীর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে যাওয়ায় খোঁচা দিলেন দিলীপ ঘোষ।
Dilip on Mamata's Bhawanipore appeal: ভবানীপুরের নির্বাচনী ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা নিয়ে কটাক্ষ করলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বললেন, ‘কোনও সমস্যায় পড়লেই উনি আদালতের দ্বারস্থ হন... আজ তাঁর সবকিছুই হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে। যিনি ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন, তিনিই সেখানে গিয়ে ভোট পুনর্গণনা ও পুনরায় ভোটগ্রহণের আবেদন জানাচ্ছেন। অথচ মনে করছেন যে তিনি এখনও নির্বাচনে লড়ছেন এবং হেরে যাননি।’

শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মমতা
আসলে মঙ্গলবার মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ করেই বেলেঘাটার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষের সঙ্গে হাইকোর্টে চলে যান পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ভবানীপুরে যে বিজেপি প্রার্থী তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জিতেছেন, সেটাকে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। দায়ের করেন হলফনামা। অভিযোগ তোলেন যে ভোটগণনায় কারচুপি হয়েছে।
বিজেপি নেতাদের আক্রমণ
বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করা হয় বিজেপির তরফে। পদ্ম শিবিরের নেতারা দাবি করেন, ক্ষমতা হারানোর পরে বাড়িতে বসে সময় কাটছিল না মমতার। সময় কাটাতে হাইকোর্টে এলেন বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতারা। সেইসঙ্গে তাঁরা দাবি করেন, ভবানীপুরে আবার নির্বাচন হলে ফের হারবেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। হারের হ্যাটট্রিক (শুভেন্দুর কাছে ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে হেরেছেন, ২০২৬ সালে ভবানীপুরে হেরেছেন মমতা) করে ফেলবেন বলেও কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতারা।
হার মানতে রাজি নন মমতারা?
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল মানতে চাননি মমতারা। গত ২৪ মে মমতা বলেছিলেন, ‘৪ তারিখে কাউন্টিং হয়েছে। এই ২০ দিন মুখ বুজে সব কিছু সহ্য করেছি। আমি নয়, বাংলার মানুষ, তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা, যাঁরা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বলি হয়েছেন, ১২ জন মানুষ মারা গিয়েছেন, খুন হয়েছেন, আত্মহত্যায় বাধ্য হয়েছেন। সবাইকে জোর করে পদত্যাগ পত্র লিখিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইলেক্টেড বডিকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসনিক রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চলছে।’
সেইসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, 'কাউন্টিং রিগিং করা, ইভিএম মেশিন রিগিং করা, আমাদের কাছে স্পেসিফিক খবর রয়েছে, সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিশনের অফিস থেকে ডেটা হ্যাকিং করা…বিজেপির লোকেরা সিআরপিএফর ড্রেস পরে ঢুকে গিয়েছে কাউন্টিং সেন্টারে। ইভিএমের মেশিনের রিপোর্ট চাই আমাদের। উপরওয়ালা দেখছেন।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


