BJP on Durga Puja Committee: ‘কাজ বন্ধ করে পুজো কমিটির সভাপতি হওয়া যাবে না’, BJP বিধায়কদের কড়া বার্তা শমীকের
BJP on Durga Puja Committee: ‘কাজ বন্ধ করে পুজো কমিটির সভাপতি হওয়া যাবে না’, পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি বিধায়কদের কড়া বার্তা দিলেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন যে নিজেও কলেজ স্কোয়ার পুজো কমিটির সভাপতি হবেন না।
BJP on Durga Puja Committee: কোনও পুজো কমিটির সভাপতি হবেন না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার কলেজ স্কোয়ারের পুজো কমিটির এক সদস্য দাবি করেন যে এবার সভাপতি হচ্ছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি। আগামী বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন খুঁটিপুজোর সময়ও হাজির থাকবেন। যদিও রাজ্য বিজেপি সভাপতি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, খুঁটিপুজোয় যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাতে যাবেন। কিন্তু পুজো কমিটির সভাপতি হওয়ার যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তা গ্রহণ করছেন না। তাঁর কথায়, ‘কোনও পুজোর সভাপতি হিসেবে আমি থাকব না।’

কাদের সভাপতি করা উচিত পুজো কমিটির? বললেন শমীক
আর কেন সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। তাঁর কথায়, ‘আমি চাই, সমাজের যাঁরা নিরপেক্ষ, প্রতিষ্ঠিত গুণীজন ও মানুষ আছেন, স্থানীয় যাঁরা মানুষ আছেন, তাঁরা (পুজো কমিটির সভাপতি) হন। নাহলে এই পুজো কালচার, একটা কম্পিটিশন (প্রতিযোগিতা), নতুন করে নিজেদের পেশিশক্তির প্রদর্শন এবং পুজোকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় অস্থিরতা তৈরি করা, পার্টি হিসেবে আমরা সেই অবস্থানে নেই।’
BJP বিধায়কদের কড়া নির্দেশ শমীকের
সেই রেশ ধরে শমীক জানিয়েছেন, বিধায়কদেরও নির্দেশ দিয়েছেন তাঁরা নিজেদের এলাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে-ঘুরে পুজো কমিটির সভাপতি যেন না হন। তবে যে বিধায়করা ইতিমধ্যে পুজো করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সেই নিয়ম প্রয়োজ্য হবে না। সেক্ষেত্রে বিশেষভাবে তিনি বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষের নাম করেছেন। যিনি দীর্ঘদিন ধরেই সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোর সঙ্গে যুক্ত আছেন। ফলে সজলের মতো যাঁরা আগে থেকেই পুজো করে আসছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই।
‘কাজ বন্ধ করে পুজো কমিটির সভাপতি হওয়া যাবে না’
বঙ্গ বিজেপির সভাপতি বলেছেন, ‘অতি উৎসাহী হয়ে জনগণের কাজ ছেড়ে, মানুষের পরিষেবা বন্ধ রেখে দুর্গাপুজো করব, এই প্রচেষ্টা ঠিক নয়। পার্টি নীতিগতভাবে এর বিরোধী।’ সেই মর্মে বিজেপি বিধায়কদের স্পষ্টবার্তাও দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন শমীক। যিনি তৃণমূল কংগ্রেস আমলের ট্রেন্ড ভাঙতে চাইছেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


