SIR আবহে শতাধিক বাংলাদেশি গত কয়েক মাসে ওপার বাংলায় ফিরেছেন! কী বলছে বিএসএফ?
বিএসএফ তরফে সাংবাদিক সম্মেলনে কী বলা হয়েছে?
এসআইআর ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই চলছে প্রশাসনিক নানান কাজকর্ম। এদিকে, তারই মাঝে সীমান্ত পার করে শতাধিক বাংলাদেশি সেদেশে ফিরে গিয়েছেন বলে এদিন জানাল বিএসএফ। বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া মানুষের সংখ্যাটা এখনও পর্যন্ত নেহাত কম নয়! প্রায় ১৮৬ জন বাংলাদেশে শুধু গত ৩ মাসে ফিরে গিয়েছেন বাংলাদেশে। এদিকে, গত বছরে ভারত থেকে মোট ৮৭ জন বাংলাদেশে সীমান্ত পার করে ফিরেছিলেন বলে মিডিয়া রিপোর্টে উঠে আসছে।

উত্তরবঙ্গে শিলিগুড়ি সংলগ্ন কদমতলায় বিএসএফ তার উত্তরবঙ্গের ফ্রন্টিয়ারের সদর দফতরে এক সাংবাদিক বৈঠক করেন। এদিন ছিল বিএসএফের ৬১তম প্রতিষ্ঠা দিবস। সেই উপলক্ষ্যে এই সাংবাদিক সম্মেলন। সেখানে বিএসএফের উত্তরবঙ্গের আইজি মুকেশ ত্যাগী সাংবাদিকদের সামনে একাধিক তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানিয়েছেন, যেকোনও ধরনের অনুপ্রবেশ রুখতে উত্তরবঙ্গ করিডরে নিরাপত্তা কঠোর করা হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, এসআইআর আবহে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারত ছেড়ে নিজের দেশে চলে যাওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। বিএসএফ-র ওই অফিসার বলেন,' এসআইআর আবহে কিছু বাংলাদেশির ভারত ছাড়ার প্রবণতা বেড়েছে।' এদিকে, চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা নিয়েও এদিন মুখ খোলে বিএসএফ। তারা সাফ জানায়, ওই এলাকার নিরাপত্তা হু হু করে বাড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, চিকেন’স নেকে থাকা সীমান্তের পঁচাত্তর শতাংশ এলাকায় নতুন অত্যাধুনিক ফেন্সিং এবং ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সীমান্তে অতিরিক্ত জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে।
(Agrahayan Purnima 2025 Tithi: অগ্রহায়ণ পূর্ণিমা ২০২৫ পড়ে গিয়েছে, কতক্ষণ থাকবে? দেখে নিন তিথি, তারিখ )
এদিকে, পাকিস্তানের কর্মকাণ্ডও উঠে এসেছে বিএসএফ-র এই সাংবাদিক সম্মেলন থেকে। উঠে আসছে পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভ বা পিআইওর প্রসঙ্গ। বিএসএফ বলছে, এই পিআইওকে ব্যবহার করে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতানোর চেষ্টা করছে ভারতের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে। পিআইওর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিএসএফ আধিকারিকদের সতর্ক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসএফ। বিএসএফর আইজি বলেন,'অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলে তা জওয়ান এবং আধিকারিকদের তুলতে বারণ করা হয়েছে। হোয়াট্সঅ্যাপে অজানা গ্রুপে যোগ না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


