আগামী ৩০ মার্চের আগেই ‘বিচারাধীন’ তালিকা পুরোপুরি নিষ্পত্তি করে দেওয়া যাবে - এমনই আশাপ্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, সোমবার পর্যন্ত ‘বিচারাধীন’ তালিকায় থাকা ২০ লাখের মতো মানুষের তথ্য নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ এক-তৃতীয়াংশের মতো কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তাঁর কথায়, ‘তিনটি-চারটি জেলায় নিষ্পত্তির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে ওই জেলাগুলিতে যে বিচারবিভাগীয় অফিসার ছিলেন, তাঁদের অন্যত্র পাঠানো হয়েছে, যেখানে বেশি মানুষ বিচারাধীন তালিকায় আছে।’
কবে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হবে?

তবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরে কবে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্তভাবে কিছু জানাতে পারেননি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তিনি জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি আদালতের হাতে আছে। ৩০ তারিখের মধ্যে পুরো বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দেওয়া হবে বলে আশাপ্রকাশ করছেন।
কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে?
সেইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় ২,২০০-২,৩০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী যাতে ঠিকভাবে মোতায়েন করা হয়, সেদিকে নজর দিচ্ছে কমিশন।
আকাশপথে ড্রোনের কড়া পাহারা
সিইও দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের স্পর্শকাতর এলাকা এবং ভৌগোলিকভাবে দুর্গম বুথগুলোতে ড্রোন ব্যবহার করা হবে। বিশেষ করে ভোটগ্রহণের দিন এবং তার আগের রাতে উত্তেজনাময় এলাকাগুলোতে ড্রোন উড়িয়ে জনসমাবেশ বা কোনও প্রকার অসাধু কার্যকলাপের ওপর নজর রাখা হবে। এই ড্রোনের মাধ্যমে প্রাপ্ত ছবি ও ভিডিয়ো সরাসরি জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং দিল্লিতে কমিশনের সদর দপ্তরে রিয়েল-টাইমে পাঠানো হবে। এর ফলে কোথাও কোনও অশান্তির খবর পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
{{/usCountry}}সিইও দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের স্পর্শকাতর এলাকা এবং ভৌগোলিকভাবে দুর্গম বুথগুলোতে ড্রোন ব্যবহার করা হবে। বিশেষ করে ভোটগ্রহণের দিন এবং তার আগের রাতে উত্তেজনাময় এলাকাগুলোতে ড্রোন উড়িয়ে জনসমাবেশ বা কোনও প্রকার অসাধু কার্যকলাপের ওপর নজর রাখা হবে। এই ড্রোনের মাধ্যমে প্রাপ্ত ছবি ও ভিডিয়ো সরাসরি জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং দিল্লিতে কমিশনের সদর দপ্তরে রিয়েল-টাইমে পাঠানো হবে। এর ফলে কোথাও কোনও অশান্তির খবর পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
{{/usCountry}}সার্বিকভাবে সিইও দফতর সূত্রে খবর, ২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটিয়ে কমিশন প্রমাণ করতে চায় যে, হিংসামুক্ত নির্বাচন সম্ভব। ড্রোন থেকে ওয়েবকাস্টিং— এই আধুনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে ভোটাররা নির্ভয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলেই আশাপ্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।