Bengal CM on Ashis Banerjee Death: রামপুরহাটের প্রাক্তন বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস (কালীঘাট) শিবির। মমতা শিবিরের নেতাদের দাবি, প্ররোচনা এবং বিজেপির অপপ্রচারের কারণেই আত্মহত্যা করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার। যদিও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একেবারে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গেলেও একেবারে শান্তিতেই ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক। তাঁকে ন্যূনতম নোটিশও পাঠানো হয়নি পুলিশ-প্রশাসনের তরফে। বরং মমতা শিবিরের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় তাঁকে কোনওরকম ব্ল্যাকমেল করানো হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
'বিজেপির সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়দের'

রবিবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, যে ঘটনা ঘটেছে, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ইতিমধ্যে বোলপুরের সাংসদ অসিত মালের ফোনে ভিডিয়ো কল করে প্রাক্তন বিধায়কের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন যে বিজেপির সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। এমনকী যে ধ্রুব সাহার কাছে পরাজিত হয়েছিলেন, তিনিও জয়ের পরে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের সঙ্গে দেখা করে গিয়েছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
‘উনি ওখানে খুব পিসফুলি ছিলেন’, বললেন শুভেন্দু
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘কোনও স্তরেই - তারাপীঠ উন্নয়ন পর্ষদ বলুন বা পুলিশ-প্রশাসন বলুন- কোনও চিঠি-নোটিশ তাঁকে কেউ করেনি। ডাকেনি কখনও। উনি ওখানে খুব পিসফুলি ছিলেন। হয়তো শাসক দলের একজন ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী হিসেবে যে ক্ষমতা তাঁর ছিল, সেটা চলে গিয়েছিল। কিন্তু ওখানে উনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতেন। সবার সঙ্গে মিশতেন। বাড়ির লোক তো বলছেন, আমাদের সঙ্গে সবার সম্পর্ক ভালো বিজেপির। বিজেপির লোকজন তো সকলে ওঁর ছাত্র। দাদারাও শিক্ষক সম্ভবত। আমি তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছি।’
মমতা শিবিরকে সন্দেহ তালিকার বাইরে রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী
{{/usCountry}}মমতা শিবিরকে সন্দেহ তালিকার বাইরে রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী
{{/usCountry}}সেই রেশ ধরে মমতাপন্থী শিবিরকেও সন্দেহ তালিকার বাইরে রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, প্রাক্তন বিধায়ক যে ফোন ব্যবহার করতেন, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন বীরভূমের পুলিশ সুপারকে। তাঁকে কোনওরকম ব্ল্যাকমেল করা হত কিনা, দুর্নীতিতে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিত কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দুর কথায়, ‘দুর্নীতিগ্রস্ত কোনও লোকজন ওঁকে ভয় দেখিয়েছিল কিনা। আপনার নাম বলে দেব কেন? অমুক করে দেন। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের যে অংশটা আছে, সেই অংশের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবে কেউ ব্ল্যাকমেলিং করে থাকতে পারেন। এগুলো পুলিশের কাজ। দেখবে।’