Balurghat Airport, Medical College and University: বিমানবন্দর, মেডিক্যাল কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়- দক্ষিণ দিনাজপুর সফরে বালুরঘাটকে তিন ‘উপহার’ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ১৯ আসনের এটিএআর বিমান চালানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আবার পুজোর পরেই দক্ষিণ দিনাজপুরে এসে বালুরঘাট মেডিক্যাল কলেজের ভূমিপুজো করা হবে। সেইসঙ্গে 'পোড়ো বাড়িতে' চলা বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও সাতটি বিষয় চালু করার ক্ষেত্রে অনুমোদন দেওয়া হবে জন্মাষ্টমীর আগেই।
লাইসেন্স ক্লিয়ারেন্সের আর্জি জানানো হয়েছে

বুধবার দক্ষিণ দিনাজপুর সফরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনটি বড় উপহার দেওয়া হচ্ছে বালুরঘাটকে। সেই রেশ ধরে ১৯ আসনের ছোটো বিমান এখনই চালানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেজন্য ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান মন্ত্রকের কাছে লাইসেন্স ক্লিয়ারেন্সের আর্জি জানানো হয়েছে। আলোচনা চালানো হচ্ছে রাজ্য পরিবহণ দফতরের তরফে।
উড়ান সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী
সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পূর্ব ভারত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে যে উড়ান সংস্থাগুলি ১৯ আসনের বিমান চালায়, সেগুলির সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই কাজটার জন্য সর্বোচ্চ এক বছর লাগবে। এক বছরের মধ্যে এটা চালু হয়ে যাবে। তবে তার আগেই যাতে চালু করা যায়, সেই চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
তবে সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী থেমে থাকতে চান না। বরং বালুরঘাট বিমানবন্দর নিয়ে আরও বড় স্বপ্ন দেখছেন। তিনি জানিয়েছেন, বালুরঘাট বিমানবন্দর থেকে ৭২ আসনের এটিআর বিমান চালানোর জন্য আরও ১৫০ একর জমি লাগবে। সেই বিষয়ে ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জন্মাষ্টমীর আগেই হয়ে যাবে দ্বিতীয় ‘উপহার’-র কাজ
দ্বিতীয় 'উপহার' হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনটি বিষয় নিয়ে একটা 'পোড়ো বাড়িতে' বিশ্ববিদ্যালয় চলছে। সাতটি বিষয়ের জন্য আবেদন করা হয়েছে। জন্মাষ্টমীর আগেই যাতে উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করা হবে। বৃহস্পতিবারই বিষয়টি উত্থাপন করবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের ভূমিপুজো
আর তৃতীয় 'উপহার' হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ৯৩১টি বেড আছে। স্ক্যান মেশিন, এমআরআই মেশিন, আইসিইউ এবং এইচডিইউ রয়েছে। সেগুলির সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। আর যে নার্সিং স্কুল আছে, সেটাকে নার্সিং কলেজে পরিণত করা হবে। বালুরঘাট মেডিক্যাক কলেজের জন্য এই অর্থবর্ষে ৩৪৪ কোটি টাকা লাগবে। প্রাথমিকভাবে রাজ্য বাজেট থেকে ১০০ কোটি বরাদ্দ করে দেওয়া হবে। তারপরই তৈরি করে ফেলা হবে ডিপিআর (ডিটেলড প্রজেক্ট রিপোর্ট)। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর পরে এবং কালীপুজোর আগে এসে ভূমিপুজোর জন্য আসবেন।