Greater Kolkata Ingrastructure Plan: বৃহত্তর কলকাতার মধ্যে কলকাতা পুরনিগম এলাকা, নিউ টাউন, হাওড়ার একাংশ, উত্তর ২৪ পরগনার একাংশ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাংশ, নদিয়ার একাংশ, হুগলির একাংশ আসবে। সেখানেই উন্নয়নমূলক প্রকল্পের খসড়া তৈরি করা হবে।
Greater Kolkata Ingrastructure Plan: কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের রূপরেখা পালটে দিতে মেগা প্ল্যান তৈরি করবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আগামী ২০ বছরে বৃহত্তর কলকাতাকে এক আধুনিক, গতিশীল এবং বিশ্বমানের মেট্রোপলিটন অঞ্চলে উন্নীত করার লক্ষ্যে তৈরি করা হচ্ছে ‘ভিশন-২০৪৭’। সূত্রের খবর, কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (কেএমডিএ) তত্ত্বাবধানে এই মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হবে। এই মেগা পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হল পরবর্তী ২০ বছরে নগর সম্প্রসারণ, দীর্ঘমেয়াদী পরিবহণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং একটি অত্যন্ত সুসংগঠিত পরিকাঠামোগত কাঠামো তৈরি করা।
বৃহত্তর কলকাতার মধ্যে কোন কোন জেলা?
বৃহত্তর কলকাতার জন্য ভিশন ২০৪৭ নীতি তৈরি করছে রাজ্য সরকার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি করা)
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
আর বৃহত্তর কলকাতা বলতে কলকাতা পুরনিগম এলাকা, নিউ টাউন, হাওড়ার একাংশ, উত্তর ২৪ পরগনার একাংশ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাংশ, নদিয়ার একাংশ, হুগলির একাংশকে ধরে পরিকল্পনা করা হবে বলে সূত্রের খবর। ওই মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, ওই বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে বৃহত্তর কলকাতা হিসেবে বিবেচনা করেই ভিশন ২০৪৭-র খসড়া তৈরি করা হবে।
এই 'ভিশন-২০৪৭' পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হল কলকাতার যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা। বর্তমান সময়ে দক্ষিণবঙ্গ, উত্তরবঙ্গ এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার পণ্যবাহী ভারী যানবাহন ও দূরপাল্লার গাড়ি কলকাতার মূল শহরের ভিতরের রাস্তা ব্যবহার করে যাতায়াত করে। এর ফলে শহরের প্রধান সড়কগুলিতে মারাত্মক যানজট তৈরি হয়।
এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য কেএমডিএ কলকাতা মেট্রোপলিটন রিং রোড নির্মাণের বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছে। এই রিং রোড তৈরি হলে মূল শহরে প্রবেশ না করেই কলকাতার বাইপাস ধরে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে বহু গাড়ি। তার ফলে মূল শহরে যেমন যানজট কমবে, তেমনই দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন মানুষ।
এছাড়াও শহরের প্রধান গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত এলাকাগুলিকে দ্রুত যুক্ত করার জন্য একাধিক ‘এলিভেটেড আর্বান করিডর’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা আছে। এতে যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে এবং জ্বালানির অপচয় ও দূষণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।