Beer Export from Bengal: বাংলায় ‘বিয়ার’ তৈরি করে বিদেশে রফতানি করা হবে! ডাচদের থেকে প্রস্তাব পেল রাজ্য
Beer Export from Bengal: বাংলায় ‘বিয়ার’ তৈরি করে বিদেশে রফতানি করা হবে- ডাচদের থেকে সেরকমই প্রস্তাব পেল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বাংলায় বিয়ারের উৎপাদন বাড়ানো হবে। তারপর তা পাঠানো হবে উত্তর-পূর্ব ভারত এবং বিদেশে।
Beer Export from Bengal: পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিয়ার রফতানি করা হবে বিদেশে? সেরকমই প্রস্তাব জমা পড়ল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্য উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে যাতে বিয়ারের উৎপাদন আরও বাড়ানো যায়, সেজন্য ইউনাইটেড ব্রিউয়ারিজ লিমিটেডের (ডাচ বিয়ার হেইনকেন ব্র্যান্ড ভারতে পরিচালনা করে এই সংস্থা) তরফে সরকারের কাছে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তাই উৎপাদন বাড়ানো গেলে রাজ্য থেকে উত্তর-পূর্ব ভারত এবং বিদেশে বিয়ার পাঠানো যাবে বলে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে।

ডাচ প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ মন্ত্রীর সঙ্গে
সেই প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় এবং মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টার সঙ্গে ইউনাইটেড ব্রিউয়ারিজ লিমিটেডের প্রতিনিধি দলের বৈঠকের সময়। সার্বিকভাবে নেদারল্যান্ডসের দূত মারিসা জেরার্ডের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে সেই বৈঠক করেছে। ওই প্রতিনিধি দলের অংশ হিসেবে রাজ্যের কাছে আবগারি নীতি সংশোধনের প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে ইউনাইটেড ব্রিউয়ারিজ লিমিটেডের তরফে।
বাংলায় তৈরি হবে বিয়ার, যাবে বিদেশে
আর সেই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে রাজ্যে বিয়ার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য়। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে বর্তমানে রাজ্যে ইউনাইটেড ব্রিউয়ারিজের যতগুলি বিয়ার তৈরির কারখানা আছে, তা বাড়াতে চেয়েছে ওই সংস্থা। তার ফলে পশ্চিমবঙ্গে বিয়ার তৈরি করে উত্তর-পূর্ব ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাঠানো যাবে।
প্রস্তাব খতিয়ে দেখবে রাজ্য সরকার
সেই রেশ ধরে এক্সাইজ ডিউটির কাঠামো সংশোধনের সুপারিশ করা হয়েছে ইউনাইটেড ব্রিউয়ারিজের তরফেও। ওই প্রতিবেতন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে পুরো বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য একটি লিখিত সুপারিশ জমা দিতে বলা হয়েছে। যা খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে দেখবে রাজ্যের অর্থ দফতর এবং আবগারি দফতর। তারপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রাজ্যে বিনিয়োগের আশাপ্রকাশ ডাচ দলের
তাছাড়াও ডাচ প্রতিনিধি দলের তরফে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের বিষয়েও আশা জোগানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে ইতিমধ্যে ভারতে যে সাতটি ডাচ বা নেদারল্যান্ডসের কোম্পানি আছে, সেগুলি নিজেদের ব্যবসার বহর বাড়াতে চাইছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি সংস্থা কলকাতায় আছে। আরও বিনিয়োগের জন্য রাজ্য সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে। কীভাবে রাজ্য ওই সংস্থাগুলির চাহিদা মেটাতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


